দৈনন্দিন ব্যবহার্য প্লাস্টিকের বিকল্প ব্যবহার

প্লাস্টিকের একক ব্যবহার বা ওয়ানটাইম প্লাস্টিক পণ্য পরিবেশের জন্য ভয়াবহ ঝুঁকিপূর্ণ। অথচ প্রায় প্রতিদিনই আমরা প্লাস্টিকের বোতল, কফির কাপ কিংবা প্লাস্টিকের ওয়ানটাইম প্লেট ব্যবহার করছি। এগুলো সাধারণত একবার ব্যবহার করেই ফেলে দেওয়া হয়। পুনঃব্যবহারযোগ্য না হওয়ায় এতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বর্জ্য উৎপাদন হয়। এতে পরিবেশ পড়ছে ঝুঁকিতে। ওয়ানটাইম ইউজ প্লাস্টিক ছাড়াও দৈনন্দিন জীবনে নানাভাবে আমরা ব্যবহার করি প্লাস্টিকের পণ্য। আমাদের সচেতনতাই পারে প্লাস্টিক দূষণ কমিয়ে পরিবেশকে নিরাপদে রাখতে। আমরা প্রতিদিন ব্যবহার করি এমন কিছু প্লাস্টিক পণ্যের পরিবেশবান্ধব বিকল্প কী হতে পারে জেনে নিন। 

বায়োডিগ্রেডেবল প্লাস্টিক

আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে, অন্যান্য প্লাস্টিকের তুলনায় বায়োডিগ্রেডেবল প্লাস্টিক অধিক সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব। পৃথিবীতে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের মধ্যে শতকরা ১৫ ভাগেরও কম পরিমাণ প্লাস্টিক পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করে ব্যবহৃত হয়।

বাকি ৮৫ ভাগ প্লাস্টিক ব্যবহারের পর যত্রতত্র ফেলে দেয়া হয় এবং তা এক সময় মাটির নিচে চাপা পড়ে যায়। না পচে ভূগর্ভে থেকে যায় দীর্ঘকাল। এগুলো তখন মাটির অভ্যন্তরে ফসল উৎপাদন ও বৃক্ষের জন্য অতি প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন, অক্সিজেনসহ বিভিন্ন গ্যাস চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে। নালা-নর্দমাকে বন্ধ করে পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি করে।

এছাড়াও বিশেষজ্ঞদের মতে, প্লাস্টিকের মোড়ক ও পাত্রে রাখা খাদ্য সামগ্রী গ্রহণের ফলে নানা ধরনের ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে প্লাস্টিক সামগ্রীর এত ক্ষতিকর দিক থাকা সত্ত্বেও এবং কঠোর আইন করেও এর উৎপাদন ও ব্যবহার বন্ধ করা যাচ্ছে না।

এ অবস্থায় বায়োডিগ্রেডেবল প্লাস্টিক হতে পারে এ সমস্যার সঠিক সমাধান, যা আমাদের পরিবেশ ও অর্থনীতি দুটোকেই মজবুত ও টেকসই করবে। এই প্লাস্টিক খুব সহজেই পরিবেশের সঙ্গে মিশে যাবে; ফলে মাটি বা পানি কোনোটাই দূষিত হবে না। পরিবেশ রক্ষার জন্য বায়োডিগ্রেডেবল প্লাস্টিক এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

বায়োডিগ্রেডেবল প্লাস্টিক হচ্ছে বায়ো-প্লাস্টিক সমন্বিত; যা নবায়নযোগ্য কাঁচামাল থেকে তৈরি। পরিবেশের অণুজীবগুলো বায়োডিগ্রেডেবল প্লাস্টিকের কাঠামো ভেঙে ফেলে, ফলে এগুলো পচে যায় এবং ঐতিহ্যবাহী প্লাস্টিকের তুলনায় পরিবেশের পক্ষে কম ক্ষতিকারক।

এটি মাটির সঙ্গে সহজেই মিশে যায় এবং মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। বায়োডিগ্রেডেবল প্লাস্টিক প্রাকৃতিক উদ্ভিদ সামগ্রী থেকে তৈরি করা হয়। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে কর্ন, কমলার খোসা, স্টার্চ এবং গাছপালা।

সাধারণ প্লাস্টিক রাসায়নিক ফিলার দিয়ে তৈরি করা হয়, যা গলানোর সময় পরিবেশের ক্ষতি করে; কিন্তু বায়োডিগ্রেডেবল প্লাস্টিক তৈরির সময় প্রাকৃতিক উৎস থেকে এমন একটি পদার্থ পাওয়া যায়, যা এই রাসায়নিক ফিলারগুলো ধারণ করে না এবং পরিবেশের জন্য ঝুঁকিও বহন করে না। বায়োডিগ্রেডেবল প্লাস্টিক তৈরির সমস্ত উপকরণ ভালোভাবে গলিয়ে বিভিন্ন আকারের প্লাস্টিকের পানির বোতল এবং বাসনের ছাঁচে ঢেলে দেয়া হয়; এভাবেই তৈরি হয় বায়োডিগ্রেডেবল প্লাস্টিক পণ্য।

পুনর্ব্যবহার

প্লাস্টিক পুনর্চাকনের প্রযুক্তির মাধ্যমে প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার করা সম্ভব। প্লাস্টিক পুনর্চাকনের প্রক্রিয়াগুলি নিম্নলিখিত ভাবে সম্পন্ন হতে পারে

প্লাস্টিক সংগ্রহণ: প্লাস্টিক পুনর্চাকনের প্রথম ধাপ হলো ব্যবহৃত প্লাস্টিক সংগ্রহণ করা। এটি আলাদা আলাদা ধরনের প্লাস্টিক যেমন প্লাস্টিক বোতল, প্লাস্টিক কন্টেনার, প্লাস্টিক ব্যাগ ইত্যাদি থেকে সংগ্রহ করা যাতে পুনর্চাকন করা যায়।

প্লাস্টিক বিচ্ছিন্নতা: সংগ্রহণ করা প্লাস্টিকগুলি প্লাস্টিক বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ভাগ করা হয়। এটি প্লাস্টিকের আকার, ধরণ এবং গুণমান অনুযায়ী হতে পারে।

প্লাস্টিক শোধন: বিভিন্ন প্লাস্টিক প্রকারের বিভিন্ন উপাদান যেমন পেট্রোলিয়াম, এথানল, বায়োমাস, ইত্যাদি থেকে প্লাস্টিক শোধন করা হয়। এই শোধন প্রয়োজনীয় গুণমান এবং উপযুক্ততা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।

প্লাস্টিক পুনঃতৈরি: প্লাস্টিক শোধনের পর, পুনর্চাকিত প্লাস্টিক তৈরি করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই প্রক্রিয়ায় শোধিত প্লাস্টিক সামগ্রী জমানোর  প্রয়োজন নেই, বরং তাদের থেকে নতুন প্লাস্টিক তৈরি হয়।

প্রোডাক্ট উৎপাদন: পুনর্চাকিত প্লাস্টিক থেকে নতুন প্রোডাক্ট তৈরি করা যেতে পারে। এই প্রোডাক্টগুলি প্লাস্টিক বোতল, প্লাস্টিক কন্টেনার, প্লাস্টিক ফাইবার, ইত্যাদি হতে পারে।

এই প্রক্রিয়াগুলি সাহায্য করে প্লাস্টিক পুনর্চাকন করে প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করতে এবং প্লাস্টিক ব্যবহারের প্রভাব কমাতে সাহায্য করে। 

আরও পড়ুন-

প্লাস্টিক দূষণ: আমাদের করণীয়

বর্ষাকালে কাপড় শুকানো ও ঘর–বিছানার স্যাঁতসেঁতে ভাব কমানোর উপায়

প্লাস্টিকের বিকল্প পুনর্ব্যবহারযোগ্য কাগজ ব্যাগ

কাগজের ব্যাগ পুনর্ব্যবহারযোগ্য। কাগজের ব্যাগ প্লাস্টিকের ব্যাগের চেয়ে দ্রুত পঁচে যায়। একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ নষ্ট হতে প্রায় বিশ-ত্রিশ বছর সময় লাগে! কিছু বিজ্ঞানী বলেছেন যে, এটি ২০০ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তারপরও এটি শুধু অদৃশ্য না হয়ে কেবল ছোট ছোট টুকরো হয়ে যায়, যা পরে মহাসাগর, মাছ এবং বন্যপ্রাণীর উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। আরো ভয়াবহ ব্যাপার যে, মাইক্রোপ্লাস্টিক এখন খাবার এবং পানিতে পাওয়া যায়। 

কাগজের ব্যাগ পচতে মাত্র এক মাস সময় লাগে। কাগজের ব্যাগগুলো গাছ থেকে তৈরি করা হয়, এবং এটি পরিবেশগতভাবে উপকারী বলে বিবেচিত হয়, কারণ গাছ একটি নবায়নযোগ্য উত্স। প্লাস্টিকের ব্যাগের চেয়ে কাগজের ব্যাগ প্রাণী ও শিশুদের শ্বাসরোধের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। যদিও প্লাস্টিকের ব্যাগের তুলনায় কাগজের ব্যাগ কেনার দামও বেশি, তবুও পরিবেশ ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে আমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়াটা জরুরি।

 পুনর্ব্যবহৃত ভাঁজযোগ্য শপিং ব্যাগ

প্লাস্টিকের বিপরীতে, কাগজের ব্যাগ পুনর্ব্যবহারযোগ্য। কাগজের ব্যাগ প্লাস্টিকের ব্যাগের চেয়ে দ্রুত পঁচে যায়। একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ নষ্ট হতে প্রায় বিশ-ত্রিশ বছর সময় লাগে! কিছু বিজ্ঞানী বলেছেন যে, এটি ২০০ বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তারপরও এটি শুধু অদৃশ্য না হয়ে কেবল ছোট ছোট টুকরো হয়ে যায়, যা পরে মহাসাগর, মাছ এবং বন্যপ্রাণীর উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। আরো ভয়াবহ ব্যাপার যে, মাইক্রোপ্লাস্টিক এখন খাবার এবং পানিতে পাওয়া যায়। 

পুনর্ব্যবহারযোগ্য মেশ শপিং ব্যাগ

মেশ বা জাল ব্যাগ প্লাস্টিকের ব্যাগের আরেকটি বিকল্প। এই ব্যাগটি নমনীয়, হালকা, এবং ভারী জিনিসপত্র বহন করার জন্য সুবিধাজনক। এর স্থিতিস্থাপকতা কেনাকাটা অনুসারে প্রসারিত হতে পারে। এটি ফ্যাশনেবল, কার্যকর, টেকসই, এবং পুনরায় ব্যবহারযোগ্য ব্যাগ।

পুনরায় ব্যবহারযোগ্য তুলোর টোট ব্যাগ

তুলোর শপিং ব্যাগগুলো পুরু এবং শক্ত। একটি একক তুলার শপিং ব্যাগের শক্তি একটি কাগজ বা প্লাস্টিকের ব্যাগের চেয়ে বেশি। এই ব্যাগগুলো হলো সবচেয়ে ফ্যাশনেবল ব্যাগ, যা কেনাকাটার সময় ব্যবহার করা যায়। এগুলোর জনপ্রিয়তা আছে বলে এই ব্যাগগুলো এখন বিভিন্ন ডিজাইনে পাওয়া যায়। যথেষ্ট শক্তিশালী এবং অনেক বছর ধরে স্থায়ী হয়। তুলো টোট ব্যাগ বেশ মজবুত এবং টেকসই হয়।

ক্যানভাস ব্যাগ

ক্যানভাস ব্যাগও তুলা দিয়ে তৈরি। তবে তুলার ব্যাগের তুলনায়, ক্যানভাস ব্যাগগুলো ওজনে হালকা এবং আরও সাশ্রয়ী। এগুলো বিভিন্ন আকারের হতে পারে, এবং অধিক টেকসই হয়। এছাড়াও এই ব্যাগগুলো ধুয়ে বহুবার ব্যবহার করা যায়। প্রচলিত প্লাস্টিকের ব্যাগের তুলনায় ক্যানভাস ব্যাগগুলো সাশ্রয়ী এবং সহজে পচে যায়। তাই এই ব্যাগও প্লাস্টিক ব্যাগের একটি উত্তম বিকল্প। প্রায় মুক্তশিখনের যুগে এই ব্যাগগুলো তৈরির নিয়ম জেনে বাসায় বসেও এগুলো বানিয়ে ফেলা যায়।

ওয়াটার হাইসিন্থ বা কচুরিপানার ব্যাগ

ওয়াটার হাইসিন্থ  বা কচুরিপানা একটি জলজ উদ্ভিদ, যাতে থাকে ফাইবার। এটি ব্যাগসহ বিভিন্ন জিনিস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এটি ফাইবার ব্যাগ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয় যা প্লাস্টিকের একটি চমৎকার বিকল্প হিসেবে কাজ করে। এটি বায়োডিগ্রেডেবল অর্থাৎ, মাটির সাথে মিশে যেতে পারে। একে ব্যবহার করা যেতে পারে বায়োপ্লাস্টিক তৈরিতে, কারণ, এতে উচ্চ পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকে। কিন্তু এই ব্যাগগুলো বেশ ব্যয়বহুল হবে, তবে পরিবেশের কথা বিবেচনা করে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এতে অর্থ ব্যয় করা যেতে পারে।

 প্লাস্টিকের বিকল্প সুতা বা উলের তৈরী ক্রোশেট ব্যাগ

এগুলো তৈরি করা সহজ এবং দামও সস্তা। কিছু উল বা বিভিন্ন ধরনের পরিবেশ বান্ধব সুতা এবং একটি ক্রোশেট সুই দিয়ে এই ক্রোশেট ব্যাগগুলো তৈরি করা হয়। ক্রোশেট হলো একপ্রকার সুই বা হুক, যা ব্যবহার করে সুতা বা উলের সাহায্যে ব্যাগ বা কাপড় তৈরি করা যায়। এই ব্যাগগুলো দেখতে সুন্দর ও পরিবেশের জন্যও উপযোগী। কিন্তু পলিথিন ব্যাগের সহজপ্রাপ্যতা এবং অতিব্যবহারে ক্রোশেট ব্যাগের চাহিদায় টান পড়েছে। পলিথিন ব্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে এই উদ্ভাবনী শিল্প আবার নতুন করে জেগে উঠবে।

প্লাস্টিকের বিকল্প পাটের ব্যাগ

পাটের ব্যাগ সম্ভবত প্লাস্টিকের ব্যাগের সবচেয়ে পুরনো এবং সবচেয়ে শক্তিশালী বিকল্প। তুলার ব্যাগের মতো পাটও প্রাকৃতিকভাবে নবায়নযোগ্য। এই ব্যাগগুলো পরিবেশবান্ধব এবং সহজেই বায়োডিগ্রেডেবল। এমনকি ব্যাগ তৈরির আগেও, পাট গাছ কার্বন পরিশোধন করে পরিবেশের প্রচুর উপকার করে।

প্লাস্টিকের বিকল্প  বাঁশ বা কাঠের তৈরী জিনিস

বাঁশ বা কাঠের তৈরি জিনিসপত্র হতে পারে প্লাস্টিকের বিকল্প। এসব জিনিস পরিবেশের জন্য নিরাপদ, ব্যবহারেও মেলে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ ও শৌখিনতার পরিচয়। প্লাস্টিকের এই বিকল্প ব্যবহারগুলো আমরা আমাদের বাসা থেকেই শুরু করতে পারি। যে সামগ্রিকতায় বর্তমানে এসে প্লাস্টিক কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে,

 তার ভবিষ্যৎ গন্তব্য গড়ে দিতে কাজ করতে হবে ছোট পরিবর্তন থেকেই। প্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে আমাদের গ্রহকে বাঁচাতে পারলে বাঁচবে জীবজগৎ। তাই সময় হয়েছে দ্রুত প্লাস্টিক নামক এই বিপজ্জনক জিনিস থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়ার। তাহলেই আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে একটি সুস্থ, সুন্দর ও স্বাভাবিক পরিবেশ দিতে পারব।

  প্লাস্টিকের বিকল্প প্লাস্টিকের কাপ বা চামচের বিকল্প

আমরা চায়ের দোকানগুলোতে পাতলা প্লাস্টিকের চায়ের কাপ দেখতে পাই, যা অহরহ ব্যবহার হচ্ছে। এসব কাপ যেমন পরিবেশের জন্যও ক্ষতিকর, তেমনি মানবদেহের জন্যও ক্ষতিকর। চায়ের সাথে অতি ক্ষুদ্র মাইক্রোপ্লাস্টিক আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। তাই এর বিকল্প হিসেবে আমরা এমন কিছু কাপ ব্যবহার করতে পারি যা একই সাথে পরিবেশবান্ধব, টেকসই, আর ব্যবহারকারী চাইলেই সেগুলো ব্যবহারের পর খেয়েও নিতে পারেন। হ্যাঁ, এটা সম্ভব। এছাড়া প্লাস্টিকের চামচের বিকল্প হিসেবেও এরূপ চামচ ব্যবহার করা যায়, যা খাবারের সাথেই খেয়ে ফেলা যায়।

Leave a Comment