অনলাইনে আয়ের জন্য কি কি দক্ষতা প্রয়োজন

আধুনিক যুগে ইন্টারনেটের ব্যবহার যেমন দিন দিন বাড়ছে, একই সাথে বাড়ছে অনলাইনে আয়ের নানা সুযোগ। করোনাকালীন সময় থেকে ঘরে বসে অনলাইন আয়ের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। বিশেষত তরুণরা অনলাইন আয়ের প্রতি এখন বেশি আগ্রহী। ইউটিউব, ফেসবুক খুললেই অনলাইন থেকে আয়ের নানা পদ্ধতির কথা শোনা যায়। কিন্তু অনলাইন থেকে ভালো পরিমাণ টাকা আয় করতে হলে প্রয়োজন দক্ষতা।

অনলাইন থেকে ভালো পরিমান টাকা আয় করতে কি কি দক্ষতা দরকার সে বিষয় নিয়েই আজকে আমাদের এই প্রতিবেদন।

১) ফ্রিল্যান্সিং

বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন আয়ের মাধ্যম হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। এক্ষেত্রে আপনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন। ঘরে বসেই ইন্টারনেটে বিভিন্ন কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। নির্দিষ্ট কোন অফিস টাইম মেইনটেইন করতে হবে না। আপনার যখন ভালো লাগবে এবং যতটুকু সময় আপনি কাজ করতে চান ততটুকু সময় আপনি কাজ করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য আপনার দরকার নির্দিষ্ট কোন বিষয়ের উপর দক্ষতা। অনেক ধরনের কাজের উপর ফ্রিল্যান্সিং করা করে উদ্যোক্তা হওয়া সম্ভব। 

অনলাইনে আয়ের জন্য কি কি দক্ষতা প্রয়োজন
অনলাইনে আয়ের জন্য কি কি দক্ষতা প্রয়োজন

অনেক ধরনের কাজ আছে অনলাইনে। এখান থেকে যে কাজটি আপনার পছন্দ সে কাজটির উপরে আপনাকে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। সম্ভব হলে কোর্স করে নিতে হবে। এখন অনলাইনে অনেক ফ্রি কোর্স এবং পেইড কোর্স পাওয়া যায়। ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে ঘরে বসেই কোর্স করার মাধ্যমে আপনি এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আরো ডিটেইলসে জানতে পারবেন। এরপর আপনার কাজের দক্ষতা অনুযায়ী, আপনি বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসগুলোতে রেজিস্ট্রেশন করে, নিজের একটি প্রোফাইল তৈরি করবেন এবং গিগ সাবমিট করবেন।

গিগ বলতে বুঝায় আপনি যে কাজটি পারেন সেটাকে ক্লায়েন্টের সামনে উপস্থাপন করা। ক্লায়েন্ট আপনাকে কাজ দিবে এবং আপনি সে কাজটি সুন্দরভাবে করে তাকে জমা দিবেন। এভাবে আপনি অনলাইনে উপার্জন করতে পারবেন।

ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেস এর মধ্যে আপ ওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার ডটকম, পিপল পার আওয়ার, ফাইবার স্বনামধন্য। এছাড়াও বাংলাদেশের আয় করি ডট কম নামে একটি লোকাল মার্কেটপ্লেস আছে এখানেও আপনারা  ফ্রিল্যান্সিং করার মাধ্যমে অনলাইনে আয় করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং করে অনলাইনে আয় করতে হলে আপনার প্রয়োজন হবে জ্ঞান, বুদ্ধিমত্তা, দক্ষতা এবং ধৈর্য। ধৈর্য ধরে লেগে থাকলে অবশ্যই আপনি সফল হবেন।

২) গ্রাফিক্স ডিজাইনিং

গ্রাফিক ডিজাইনিং এর কাজ শিখলে ঘরে বসে খুব সহজে অনলাইনে ইনকাম করা যায়। বর্তমানে গ্রাফিক্স ডিজাইনের চাহিদা অনেক। মার্কেটপ্লেস গুলোতেও এ সম্পর্কিত অনেক কাজ রয়েছে। মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্ট খুলে গিগ সাবমিট করার মাধ্যমে আপনি কাজ পেতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনার দরকার পড়বে ক্রিয়েটিভিটি বা সৃজনশীলতা। বর্তমানে এ কাজে বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যাচ্ছে।

৩)ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট

ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট শিখে আপনি অনলাইনে কাজ করে অনেক আয় করতে পারবেন। বর্তমানে এ কাজের অনেক চাহিদা রয়েছে। অনলাইনে কোর্সগুলো করার মাধ্যমে আপনি ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট শিখতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাকে কোডিং শিখতে হবে এইচটিএমএল (HTML), সিএসএস (CSS), জাভা স্ক্রিপ্ট (Java Script) এই ভাষা গুলো জানতে হবে। কাজ শিখে মার্কেটপ্লেস গুলোতে একাউন্ট করে গিগ সাবমিট করার মাধ্যমে কাজ পাওয়া এবং ভালো মানের আয় করা সম্ভব।

৪) কনটেন্ট রাইটিং

যারা লেখালেখি করতে জানেন তারা আর্টিকেল লেখে করে সহজে আয় করতে পারবেন। মার্কেটপ্লেস গুলোতে আর্টিকেল লিখে আয় করা যায়। বর্তমানে এর চাহিদা ব্যাপক হারে বাড়ছে। মার্কেটপ্লেস গুলোতে রেজিস্ট্রেশন করে গিগ সাবমিট করার মাধ্যমে কনটেন্ট রাইটিং এর কাজ পাওয়া যায়। বায়ার যদি আপনার পছন্দ করে আপনাকে কাজের অনুমোদন দেন তাহলে আর্টিকেল লিখে সাবমিট করে আপনি আয় করতে পারবেন।

৫) ডাটা এন্ট্রি

অনলাইনে ডাটা এন্ট্রির প্রচুর কাজ আছে । এ কাজের জন্য আপনাকে দ্রুত টাইপিং করতে জানতে হবে। কাজটি সহজেই করা যায় এবং মোবাইল দিয়েও এটি করা সম্ভব। কাজটি ভালো করে শিখে নিলে আপনি ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেসগুলোতেও কাজ করতে পারবেন। 

৬) সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলতে বুঝায় ফেসবুক টুইটার ইন্সটাগ্রাম ইউটিউব সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলোকে ব্যবহার করে নিজেদের পণ্যের প্রচার প্রসার করা। অনলাইনে সক্রিয় থাকা লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে নিজেদের ব্যবসায়িক পণ্যের কথা জানানো। আপনার ব্যবসায়িক পণ্য কেনার ব্যাপারে মানুষকে আগ্রহী করে তোলা জন্য বিভিন্ন রকম ভিডিও, পোস্ট, ইমেজ, কনটেন্ট, পণ্য সম্পর্কিত আর্টিকেল শেয়ার করা। ব্যবসায়ের প্রোডাক্ট ব্র্যান্ডিং এর জন্য বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং অনেক বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করার মাধ্যমে বর্তমানে প্রচুর আয় করা সম্ভব।

এক্ষেত্রে প্রথমেই অনলাইনে ফ্রি অথবা পেইড কোর্স করে নেওয়া ভালো। তারপর নিজের ব্যবসার জন্য যদি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে চান সে ক্ষেত্রে ফেইসবুক,ইনস্টাগ্রাম, টুইটার, এগুলোতে অ্যাকাউন্ট খুলে নিজের ব্যবসায়িক পণ্যের প্রচার-প্রসার মূলক পোস্ট, ভিডিও, আর্টিকেল নিয়মিত শেয়ার দিতে হবে। এইসব অ্যাকাউন্ট গুলোতে ফলোয়ার বৃদ্ধি পেলে ধীরে ধীরে বিক্রি বৃদ্ধি পাবে এবং আয় হবে। শুধুমাত্র ফেসবুক মার্কেটিং শিখেই ঘরে বসে আপনি এখনই আয় শুরু করতে পারেন।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এ প্রচুর কৌশল খাটানোর প্রয়োজন পড়ে। সেই সাথে ধৈর্য এবং নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাওয়ার প্রবণতা, তাহলেই সাফল্য আসবে বলে আশা করা যায়।

৭) ব্লগিং

ব্লগিং বলতে বোঝায় যেকোন বিষয়ের উপর লিখা আর্টিকেলগুলোকে নিজস্ব ওয়েবসাইটে শেয়ার করা। নিয়মিত আর্টিকেল লিখে শেয়ার করতে পারলে, ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়বে। গুগল এডসেন্স নেওয়ার মাধ্যমে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দেয়া যায়। ভিজিটরা যদি এই বিজ্ঞাপন গুলোতে ক্লিক করে তাহলে আপনার আয় হবে। ব্লগিং এর জন্য আপনার পছন্দমত যে কোন টপিক্সে আপনি লেখা শুরু করতে পারেন।

আপনার যদি লেখালেখি করার অভ্যাস থাকে তাহলে ব্লগিং আপনার জন্য অনেকটাই সহজ হবে।হতে পারে সেটা আপনার যে কোন শখ, ফ্যাশন, খেলাধুলা, বইয়ের রিভিউ, ভ্রমণের অভিজ্ঞতা, স্বাস্থ্য জীবনযাত্রা সহ আরো অনেক কিছু নিয়ে আপনি লিখতে পারেন।

ব্লগিং করার জন্য আপনার একটি ওয়েবসাইট লাগবে এবং এই ওয়েবসাইটটি আপনি চাইলে নিজেই তৈরি করে নিতে পারেন। ওয়ার্ডপ্রেস অথবা ব্লগার ডট কম এর মাধ্যমে আপনি ফ্রিতেই একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন। ব্লগিং করে আয় করতে হলে আপনাকে একটু সময় নিতে হবে। এক্ষেত্রে আয় শুরু হতে একটু সময় লেগে যায়। কিন্তু যখন একবার আয় শুরু হয়ে যায় তখন যদি আপনি লেগে থাকতে পারেন তাহলেই আয় করা সম্ভব হবে।

৮) ইউটিউব থেকে আয়

বর্তমানে অনলাইনে আয়ের একটি খুব জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ইউটিউব থেকে আয়। এক্ষেত্রে আপনার একটি ইউটিউব চ্যানেল থাকতে হবে। আপনি ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করে সেগুলো নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে শেয়ার করার মাধ্যমে আয় করতে পারেন। এখানে বেশ কয়েকভাবে আয় করা যায় যেমন বিজ্ঞাপন দেখানোর মাধ্যমে আয়, অ্যাফিলিয়েট লিংক শেয়ারের মাধ্যমে আয়, নিজস্ব পণ্য প্রচার প্রসার ও দেখানোর মাধ্যমে আয়, স্পন্সরশিপ এর মাধ্যমে আয়।

আপনার কনটেন্ট এর গুণগত মান ভালো হতে হবে এবং আপনাকে কনটেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে সৃজনশীল হতে হবে। তবে ইউটিউবে মাধ্যমে আয় করতে হলে কিছু নিয়ম আছে। আপনার চ্যানেলটিতে গত এক বছরের ভিডিও গুলোতে ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম থাকতে হবে এবং ১০০০ সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে। এজন্য ইউটিউবে মাধ্যমে আয় শুরু করাটা প্রাথমিকভাবে একটু কঠিন। তবে নিয়মিত ভিডিও শেয়ার করার মাধ্যমে সাবস্ক্রাইবার বৃদ্ধি পেয়ে গেলে পরবর্তীতে আয় করা সহজ হবে।

৯) অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

অনলাইনে আয় করার একটি সহজ মাধ্যম হলো এফিলিয়েট মার্কেটিং। দিন দিন বাংলাদেশে এর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হলো অন্য কোন সংস্থার পণ্য এর লিংক শেয়ারের মাধ্যমে প্রচার প্রসার করা। আপনার সেয়ার কি তো লিংকটিতে কোন ক্রেতা ক্লিক করে পণ্য ক্রয় করলে আপনি একটি কমিশন পাবেন। এজন্য আপনি সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলোকে ব্যবহার করতে পারেন। নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখানে পণ্য সম্পর্কিত আর্টিকেল লিখে, পন্যের লিঙ্ক শেয়ার করতে পারেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য সারা বিশ্বে প্রসিদ্ধ হলো এ্যমাজন। এছাড়াও বাংলাদেশ 64 বিডি পণ্য নামক প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করার মাধ্যমে আপনি এফিলিয়েট হতে পারেন। তাদের পণ্যের লিংক নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে শেয়ার করে আয় করতে পারেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য অনলাইনে অনেক ফ্রি এবং পেইড কোর্স অ্যাভেলেবল আছে। কোর্স করার মাধ্যমে নিজের জ্ঞান এবং দক্ষতাকে বাড়িয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং আরো ভালোভাবে করে করে আয় করা সম্ভব।

১০) অনলাইন ব্যবসা

অনলাইনে নিজস্ব পণ্যের ব্যবসা করে আয় সম্ভব। এক্ষেত্রে একটা ফেসবুক পেজ থাকলেই যথেষ্ট। ফেসবুক পেজে আপনার পূর্ণ সম্পর্কিত পোস্ট ভিডিও শেয়ার করার মাধ্যমে পুনে কেনাবেচা বৃদ্ধি করা সম্ভব। ফেসবুকে অর্থ প্রদানের মাধ্যমে আপনি ডিজিটাল বিজ্ঞাপন দিতে পারেন, তাহলে পণ্যের বিক্রি অনেক গুণ বেশি বেড়ে যাবে। অল্প সময়ে এবং অল্প খরচের মধ্যে নিজস্ব ইউনিক পণ্যের অথবা বাংলাদেশের বিভিন্ন আঞ্চলিক বিখ্যাত পণ্য গুলো অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন। এটাতে ফেসবুক মার্কেটিং টা শিখে নিলে ভালো হবে।

১১) ভিডিও এডিটিং করে আয়

ভিডিও এডিটিং করার মাধ্যমে এখন প্রচুর আয় করা সম্ভব। যারা ইউটিউবে বা ফেসবুকে বিভিন্ন ভিডিও কন্টেন্ট দেন, তাদের কাজ করে দেবার মাধ্যমেই আপনার আয় করা সম্ভব। মার্কেটপ্লেস লোতে এর সম্পর্কিত অনেক কাজ রয়েছে। এক্ষেত্রে আপনার ভিডিও এডিটিং এর ব্যাপারে জ্ঞান এবং একটি ভাল মানের কম্পিউটার প্রয়োজন পড়বে।

১২) অনুবাদ

এছাড়াও অনুবাদ করে অনলাইনে আয় করা যায়। যাদের বিভিন্ন ভাষা ভাবে জানা আছে। যেমন চাইনিজ, রাশিয়ান, জাপানি, এরাবিক ইত্যাদি ভাষা জানা থাকলে আপনি বিভিন্ন কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে অনুবাদকের কাজ করতে পারেন।

১৩) ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট

ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়। সারা বিশ্বের যেকোনো যে কোন জায়গার কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে ঘরে বসেই তাদের কাজ করে দেবার মাধ্যমে প্রচুর আয় করা সম্ভব। মার্কেটপ্লেসগুলোও ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট এর কাজ পাওয়া যায়।

১৪) অনলাইন টিউটর

আপনার যদি নির্দিষ্ট কোন স্কিল থাকে এবং আপনি তা মানুষকে শিখাতে চান, তাহলে যে কোন বয়সের এবং যেকোনো দেশের মানুষকে আপনি তা শেখাতে পারবেন অনলাইনের মাধ্যমে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বা অনলাইন প্লাটফর্মে অনলাইন টিউটরের চাহিদা রয়েছে। এইসব ওয়েবসাইটে যোগদানের মাধ্যমে আপনি অনলাইন টিউটর হিসেবে কাজ করতে পারবেন। এছাড়া নিজেও আপনি কোর্স তৈরি করে অনলাইন প্লাটফর্মে তা বিক্রি করতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে অনলাইনে বসে ওয়েবিনার পরিচালনাও করে আয় করা যায়।

অনলাইনে আয়ের জন্য কি কি দক্ষতা প্রয়োজন
অনলাইনে আয়ের জন্য কি কি দক্ষতা প্রয়োজন

আমি আশা করছি, উপরোক্ত আলোচনা থেকে -অনলাইনে আয়ের জন্য কি কি দক্ষতা প্রয়োজন-এই বিষয়ে বিস্তারিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়ে অনেক উপকৃত হতে পেরেছেন ।

উপসংহার

বাংলাদেশের বর্তমান তরুণ সমাজ অনেকেই গ্রাজুয়েট হয়েও চাকরির অভাবে ভুগছেন। তারা অনলাইন আয়ের সুযোগটি গ্রহণ করতে পারেন। নারীদের জন্য অনলাইন আয় অনেকটাই সুবিধাজনক। যেহেতু ঘরে বসে কাজ করা যায় তাই সংসার সামলানোর পাশাপাশি আয় করা অনেক নারীর জন্য ভালো।

অনলাইনে কাজের যেমন অনেক সুযোগ আছে তেমনি প্রতিদ্বন্দ্বিতাও রয়েছে। তাই ভালো পরিমাণ আয় করতে হলে নিজস্ব স্কিল বাড়াতে হবে। এছাড়াও,অনলাইন আয়ের ব্যাপারে মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়ায় কিছু অসাধুচক্র দ্বারা মানুষ প্রতারণার শিকার হচ্ছে। এ থেকে বাঁচতে হলে আগে ভালোভাবে নিজের কাজ সম্পর্কে আইডিয়া থাকতে হবে। কোন ওয়েবসাইট বা মার্কেটপ্লেসে কাজ করার পূর্বে সেই কোম্পানির নিয়ম গুলো জেনে কাজ শুরু করতে হবে।

অনেকেই ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেসে কাজ করে আয় করার পর টাকা উঠানো নিয়ে ঝামেলায় পড়ে যান। তাই পেমেন্ট মেথড সম্পর্কেও জেনে নেওয়া জরুরী। অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টাকা উঠানো সম্ভব।

Leave a Comment