কিভাবে যোগব্যায়াম শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে সহায়ক?

Spread the love

আমাদের শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা ইমিউন সিস্টেম হলো এমন এক যোদ্ধা, যে প্রতিদিন নীরবে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া এবং নানা রকম রোগ থেকে আমাদের রক্ষা করে। কিন্তু এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যদি দুর্বল হয়ে যায়, তখন ছোট্ট একটি ঠান্ডা লাগাও বড় অসুখের রূপ নিতে পারে। তাই শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা খুবই জরুরি। 

অনেকেই জানেন না, নিয়মিত যোগব্যায়াম শুধু শরীরকে নমনীয় করে না, বরং প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, ধ্যান ও বিভিন্ন আসন শরীরে ভারসাম্য আনে, মানসিক চাপ কমায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সক্রিয় করে তোলে। এখন আমরা ধাপে ধাপে জানব কিভাবে যোগব্যায়াম আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

১। যোগব্যায়াম শরীরের মানসিক চাপ কমিয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে মানসিক চাপ বা স্ট্রেস একটি বড় সমস্যা। পড়াশোনা, কাজের চাপ, পারিবারিক দুশ্চিন্তা কিংবা অনিয়মিত জীবনযাপন – এসবের কারণে আমাদের শরীরে কর্টিসল নামের একটি হরমোন বেড়ে যায়। কর্টিসল বেশি হলে শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে যায়। ফলে আমরা সহজেই অসুস্থ হয়ে পড়ি। এই জায়গাতেই যোগব্যায়াম কাজ করে এক অসাধারণ ওষুধের মতো।

যোগব্যায়ামে বিভিন্ন শ্বাস-প্রশ্বাসের কৌশল আছে, যেমন প্রাণায়াম, অনুলোম-বিলোম, কপালভাতি ইত্যাদি। এসব ব্যায়াম করলে শরীরের ভেতরের টেনশন ধীরে ধীরে কমে যায় এবং মস্তিষ্কে একধরনের শান্তি তৈরি হয়। বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত যোগব্যায়াম মানসিক চাপ কমিয়ে শরীরের হরমোনকে ভারসাম্যপূর্ণ করে। যখন মানসিক চাপ কমে যায়, তখন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে এবং জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আরও শক্তিশালী হয়।

এছাড়া যোগব্যায়াম করার সময় শরীরে অক্সিজেনের প্রবাহ বেড়ে যায়। গভীর শ্বাস নেওয়া ও ছাড়ার মাধ্যমে ফুসফুস ভালোভাবে কাজ করে এবং রক্তের ভেতর পর্যাপ্ত অক্সিজেন মিশে যায়। এই বাড়তি অক্সিজেন শরীরের কোষগুলোকে আরও কর্মক্ষম করে তোলে। আর সুস্থ ও সক্রিয় কোষ মানেই হলো একটি শক্তিশালী ইমিউন সিস্টেম

একটি ছোট উদাহরণ ধরা যাক—যদি কোনো ছাত্র প্রতিদিন ১৫ মিনিট যোগব্যায়াম করে, বিশেষ করে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, তবে তার পড়াশোনার চাপ অনেকটা কমে যাবে। সে মানসিকভাবে হালকা অনুভব করবে এবং সহজেই ঠান্ডা-জ্বরের মতো রোগ প্রতিরোধ করতে পারবে।

অর্থাৎ, যোগব্যায়াম কেবল শরীরকে নমনীয় রাখে না, বরং মনের ভেতরের চাপ কমিয়ে ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। তাই সুস্থ থাকতে চাইলে প্রতিদিন কিছুটা সময় যোগব্যায়ামের জন্য রাখা উচিত।

 ২। যোগব্যায়াম শরীরে রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করে

আমাদের শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করতে হলে রক্তসঞ্চালন বা ব্লাড সার্কুলেশন ভালো হওয়া জরুরি। কারণ, রক্তের মাধ্যমেই পুষ্টি, অক্সিজেন এবং রোগ প্রতিরোধকারী কোষ (যেমন: শ্বেত রক্তকণিকা) শরীরের এক অংশ থেকে অন্য অংশে পৌঁছে যায়। যদি রক্তসঞ্চালন দুর্বল হয়, তাহলে এই প্রতিরোধক কোষগুলো সময়মতো কাজ করতে পারে না। এর ফলেই শরীর সহজে রোগে আক্রান্ত হয়।

যোগব্যায়ামের আসনগুলো যেমন সূর্যনমস্কার, তাড়াসন, ভূজঙ্গাসন, ত্রিকোণাসন ইত্যাদি শরীরের ভেতরে রক্তপ্রবাহকে সক্রিয় করে। প্রতিটি আসন করার সময় শরীর প্রসারিত হয়, পেশি টানটান হয় এবং হৃৎপিণ্ড দ্রুত ও সঠিকভাবে রক্ত পাম্প করতে পারে। এর ফলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছে যায়।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—রক্তের ভেতর রোগ প্রতিরোধকারী শ্বেত রক্তকণিকা (WBC) বিভিন্ন জীবাণু ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে। যোগব্যায়াম রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে এসব কোষকে আরও সক্রিয় করে তোলে। তাই যখন শরীরে কোনো ভাইরাস ঢোকে, তখন ইমিউন সিস্টেম দ্রুত তা শনাক্ত করতে পারে এবং লড়াই শুরু করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত যোগব্যায়াম করেন তাদের রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে এবং রক্তের প্রবাহ বাধাহীন হয়। এর ফলে তাদের শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে বেশি শক্তিশালী থাকে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একজন কর্মজীবী মানুষ যদি প্রতিদিন সকালবেলা ২০ মিনিট যোগব্যায়াম করেন, তবে সারাদিন তার শরীর সতেজ থাকবে। কারণ, তার রক্তসঞ্চালন সঠিকভাবে কাজ করবে এবং শরীরের প্রতিটি অংশ প্রয়োজনীয় শক্তি পাবে।

অর্থাৎ, যোগব্যায়াম শুধু মানসিক শান্তি দেয় না, বরং রক্তসঞ্চালন উন্নত করে শরীরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে। এর ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও কার্যকর হয়, যা আমাদের দীর্ঘদিন সুস্থ থাকতে সাহায্য করে।

৩। যোগব্যায়াম হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রাখে

শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি বড় অংশ আমাদের অন্ত্র বা হজম প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরের প্রায় ৭০% প্রতিরোধ ক্ষমতা আমাদের অন্ত্রের ভেতরেই থাকে। যদি হজম ঠিকমতো না হয়, তাহলে শরীরে টক্সিন জমতে শুরু করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়। তাই সুস্থ ইমিউন সিস্টেমের জন্য হজম প্রক্রিয়া সঠিকভাবে কাজ করা খুব জরুরি।

যোগব্যায়ামের কিছু বিশেষ আসন আছে যেগুলো হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। যেমন পবনমুক্তাসন, অর্ধমৎস্যেন্দ্রাসন, ভুজঙ্গাসন ও দন্ডায়মান আসন। এসব আসন করার মাধ্যমে পেটের ভেতরের অঙ্গগুলো ম্যাসাজ পায় এবং অন্ত্রের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে খাবার দ্রুত হজম হয়, গ্যাস বা অস্বস্তি কমে এবং শরীরে পুষ্টি উপাদান সঠিকভাবে শোষিত হয়। যখন শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ এবং পুষ্টি ঠিকমতো পায়, তখন প্রতিরোধ ক্ষমতাও স্বাভাবিকভাবে শক্তিশালী হয়।

এছাড়া যোগব্যায়াম হজমে সাহায্য করার পাশাপাশি শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বের করে দিতে সহায়ক। অনেক সময় ভুল খাবার খাওয়া বা অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে শরীরে টক্সিন জমে। যোগব্যায়ামের আসন ও শ্বাসপ্রশ্বাস ব্যায়াম শরীর থেকে এসব ক্ষতিকর উপাদান বের করতে সাহায্য করে। এর ফলে শরীর ভেতর থেকে পরিষ্কার হয় এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও কার্যকরভাবে কাজ করে।

উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, যদি কেউ প্রতিদিন রাতে ভারী খাবারের পর ১০ মিনিট “পবনমুক্তাসন” করেন, তবে তার হজমশক্তি উন্নত হবে। ফলে অস্বস্তি বা বদহজমের ঝামেলা কমে যাবে। এর পাশাপাশি সে দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ ইমিউন সিস্টেম পাবে।

অর্থাৎ, যোগব্যায়াম শুধু শরীরকে নমনীয় করে না, বরং হজম প্রক্রিয়াকে সঠিকভাবে চালু রাখে। হজম ভালো হলে শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয় এবং আমরা সহজেই সুস্থ থাকতে পারি।

৪। যোগব্যায়াম ঘুমের মান উন্নত করে এবং শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মজবুত রাখে

ভালো ঘুম মানে শুধু আরাম নয়, বরং সুস্থ শরীর ও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মূলভিত্তি। যারা নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম পান না, তাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধক কোষ (বিশেষ করে টি-সেল এবং ন্যাচারাল কিলার সেল) সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। ফলে তারা সহজেই সর্দি, কাশি বা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। আধুনিক গবেষণা বলছে, ঘুমের অভাব শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে দুর্বল করে দেয়।

যোগব্যায়াম ঘুমের মান উন্নত করার ক্ষেত্রে আশ্চর্যজনকভাবে কার্যকর। শবাসন, পদ্মাসন, বালাসন, সুকাসন এর মতো আসন শরীরকে শান্ত করে এবং মস্তিষ্কের অস্থিরতা কমিয়ে দেয়। বিশেষ করে শবাসনকে বলা হয় “রিলাক্সেশনের রাজা”। এই আসনে শুয়ে গভীর শ্বাস নিলে শরীরের টেনশন ধীরে ধীরে দূর হয়, হৃদস্পন্দন নিয়মিত হয় এবং ঘুম আসতে সহজ হয়।

এছাড়া প্রাণায়াম (শ্বাস নিয়ন্ত্রণ ব্যায়াম) ঘুমের মান উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রাতে ঘুমানোর আগে ১০ মিনিট অনুলোম-বিলোম বা ভ্রমরী প্রাণায়াম করলে মন শান্ত হয়, উদ্বেগ দূর হয় এবং দ্রুত ঘুম আসে। গভীর ও নিরবচ্ছিন্ন ঘুম শরীরকে ভেতর থেকে পুনর্গঠন করতে সাহায্য করে। তখন ইমিউন সিস্টেম নতুন শক্তি পায় এবং জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত থাকে।

একটি বাস্তব উদাহরণ ধরা যাক—ধরুন একজন কর্মজীবী মানুষ সারা দিন কাজের চাপে ক্লান্ত। রাতে বিছানায় গেলেও তার ঘুম আসে না। যদি সে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ১৫ মিনিট যোগব্যায়াম ও শ্বাসপ্রশ্বাসের ব্যায়াম করে, তবে তার মস্তিষ্ক শান্ত হবে এবং সহজেই ঘুম আসবে। পরের দিন সকালে সে সতেজভাবে ঘুম থেকে উঠতে পারবে এবং তার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আগের চেয়ে আরও সক্রিয় থাকবে।

অর্থাৎ, যোগব্যায়াম কেবল শরীরকে সচল রাখে না, বরং মানসিক প্রশান্তি এনে ঘুমের মান বাড়ায়। আর ভালো ঘুম মানেই হলো একটি শক্তিশালী ও কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

৫। যোগব্যায়াম হরমোনের ভারসাম্য বজায় রেখে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করে

আমাদের শরীরের ভেতরে বিভিন্ন হরমোন কাজ করে, যা শরীরের প্রতিটি অঙ্গের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। যেমন—থাইরয়েড হরমোন, ইনসুলিন, কর্টিসল ইত্যাদি। এসব হরমোন যদি সঠিক মাত্রায় থাকে, তবে শরীর সুস্থ থাকে। কিন্তু মানসিক চাপ, অনিয়মিত খাবার, ঘুমের অভাব বা অলস জীবনযাপনের কারণে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। এর ফলে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং আমরা সহজেই রোগে আক্রান্ত হই।

যোগব্যায়াম হরমোনের ভারসাম্য রক্ষায় দারুণভাবে সাহায্য করে। বিশেষ করে সর্বাঙ্গাসন, মৎস্যাসন, ধনুরাসন, ভুজঙ্গাসন ইত্যাদি আসন শরীরের হরমোন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে। এসব আসন করার সময় রক্তপ্রবাহ গ্রন্থিগুলোর দিকে বাড়ে, যেমন থাইরয়েড ও অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি। এর ফলে হরমোন সঠিকভাবে উৎপন্ন হয় এবং শরীরে ভারসাম্য বজায় থাকে।

এছাড়া যোগব্যায়ামের আরেকটি বড় সুবিধা হলো এটি কর্টিসল নামের স্ট্রেস হরমোন কমিয়ে দেয়। কর্টিসল বেশি হলে ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে পড়ে, কিন্তু যোগব্যায়াম করলে কর্টিসলের মাত্রা স্বাভাবিক হয়। একই সঙ্গে সেরোটোনিন ও এন্ডরফিন নামের সুখ হরমোন বাড়ে, যা শরীরকে আনন্দিত ও প্রাণবন্ত রাখে। সুখী মন শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করে তোলে।

গবেষণায় প্রমাণিত যে, যারা নিয়মিত যোগব্যায়াম করেন তাদের হরমোন ব্যালান্স অন্যদের তুলনায় ভালো থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একজন গৃহিণী যদি প্রতিদিন সকালে ৩০ মিনিট যোগব্যায়াম করেন, তবে তার মানসিক চাপ কমবে, হরমোন স্বাভাবিক থাকবে এবং তার শরীর বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে আরও সক্ষম হবে।

অর্থাৎ, যোগব্যায়াম শুধু শরীরকে নমনীয় করে না, বরং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রেখে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে। তাই সুস্থ ও রোগমুক্ত জীবনযাপনের জন্য প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় যোগব্যায়ামে ব্যয় করা উচিত।

উপসংহার

শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী রাখাই সুস্থ জীবনের মূল চাবিকাঠি। নিয়মিত যোগব্যায়াম আমাদের মানসিক চাপ কমায়, রক্তসঞ্চালন বাড়ায়, হজম শক্তি উন্নত করে, ভালো ঘুম নিশ্চিত করে এবং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে। 

এসবের সম্মিলিত প্রভাবে শরীরের ইমিউন সিস্টেম আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং আমরা সহজেই ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও নানা ধরনের রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকতে পারি। তাই স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতিদিন অন্তত ২০-৩০ মিনিট যোগব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। যোগব্যায়াম কেবল ব্যায়াম নয়, বরং এটি হলো সুস্থ ও দীর্ঘায়ু জীবনের এক সহজ সমাধান।

Leave a Comment

You cannot copy content of this page