শসা একটি পরিচিত ও জনপ্রিয় সবজি, যা বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়। এর শীতল ও সতেজ গুণের কারণে গ্রীষ্মকালে শসার চাহিদা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। শসা গাছ লতা জাতীয় উদ্ভিদ এবং অল্প সময়ে ফল দেয় বলে কৃষকদের কাছে এটি একটি লাভজনক ফসল। পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই সবজি মানবদেহে পানিশূন্যতা দূর করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। শসা গাছ সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান জানা থাকলে এর চাষাবাদ, ব্যবহার ও উপকারিতা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়।
১. শসা গাছের বৈজ্ঞানিক নাম কী? উত্তর: Cucumis sativus
২. শসা কোন উদ্ভিদ পরিবারভুক্ত? উত্তর: কুকারবিটাসি (Cucurbitaceae) পরিবারভুক্ত।
৩. শসা গাছ সাধারণত কোন মৌসুমে চাষ করা হয়? উত্তর: গ্রীষ্ম ও বর্ষা মৌসুমে।
৪. শসা গাছ লতা না গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ? উত্তর: লতা জাতীয় উদ্ভিদ।
৫. শসার উৎপত্তিস্থল কোন অঞ্চল বলে ধারণা করা হয়? উত্তর: দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশ।
৬. শসার প্রধান খাদ্যগুণ কী? উত্তর: এতে প্রচুর পানি, ভিটামিন ও খনিজ লবণ থাকে।
৭. শসা কাঁচা না রান্না করে বেশি খাওয়া হয়? উত্তর: সাধারণত কাঁচা খাওয়া হয়।
৩৩. শসা গাছের চাষে কোন কীট সবচেয়ে ক্ষতিকর? উত্তর: ফলমাছি।
৩৪. শসা গাছের পাতা কোন কাজে ব্যবহার করা যায়? উত্তর: কিছু ক্ষেত্রে পশুখাদ্য হিসেবে।
৩৫. শসা গাছের ফলের পানির পরিমাণ প্রায় কত শতাংশ? উত্তর: প্রায় ৯৫%।
৩৬. শসা গাছের ফল তিতা হওয়ার প্রধান কারণ কী? উত্তর: অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও পানির অভাব।
৩৭. শসা গাছের চাষে কোন দূরত্ব বজায় রাখা উচিত? উত্তর: গাছ থেকে গাছ প্রায় ৪৫–৬০ সেন্টিমিটার।
৩৮. শসা গাছের ফুল ফোটার পর ফল ধরতে কত দিন লাগে? উত্তর: প্রায় ৭–১০ দিন।
৩৯. শসা গাছের ফল সাধারণত কোন সময় সংগ্রহ করা ভালো? উত্তর: সকালে বা বিকেলে।
৪০. শসা গাছের অর্থনৈতিক গুরুত্ব কী? উত্তর: সবজি হিসেবে বাজারজাত করে কৃষকের আয় বৃদ্ধি করে।
উপসংহার
শসা গাছ শুধু একটি সাধারণ সবজি নয়, বরং এটি পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সহজ চাষপদ্ধতি, দ্রুত ফলন এবং বাজারে ভালো চাহিদার কারণে শসা গাছ কৃষকদের জন্য একটি উপকারী ফসল হিসেবে বিবেচিত। শসা গাছ সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান আমাদের কৃষি সচেতনতা বৃদ্ধি করে এবং খাদ্যাভ্যাসে স্বাস্থ্যকর সবজি গ্রহণে উৎসাহ জোগায়। তাই শসা গাছ সম্পর্কে জানা ও এর সঠিক ব্যবহার আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।