১. প্রশ্ন: সূর্য কোন ধরনের নক্ষত্র?
উত্তর: সূর্য হল একটি গ্যাসীয় বল এবং এটি প্রধানত হাইড্রোজেন ও হেলিয়াম দিয়ে গঠিত। এটি মূল ধারা বা মেইন সিকুয়েন্স নক্ষত্রের মধ্যে পড়ে। সূর্য একটি জ্বলন্ত, গরম বল যা নিজস্ব শক্তি উৎপন্ন করে নিউক্লিয়ার ফিউশনের মাধ্যমে।
২. প্রশ্ন: সূর্যের চারপাশে কোন গ্রহগুলো ঘোরে?
উত্তর: সূর্যের চারপাশে মোট ৮টি প্রধান গ্রহ ঘোরে। এগুলো হল: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন। এগুলো সূর্যের মহাকর্ষীয় আকর্ষণে আবদ্ধ।
৩. প্রশ্ন: সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কোন গ্যাস রয়েছে?
উত্তর: সূর্যের প্রধান গ্যাস হল হাইড্রোজেন। এটি মোট ভরের প্রায় ৭৫% এবং আয়তনের প্রায় ৯২% গঠন করে। হেলিয়াম দ্বিতীয় প্রধান গ্যাস।
৪. প্রশ্ন: সূর্য পৃথিবী থেকে কত দূরে অবস্থিত?
উত্তর: সূর্য পৃথিবী থেকে প্রায় ১৪৯.৬ মিলিয়ন কিলোমিটার বা ১ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট (AU) দূরে। এটি আমাদের সৌরজগতের কেন্দ্রবিন্দু।
৫. প্রশ্ন: সূর্যের তাপমাত্রা কত?
উত্তর: সূর্যের কেন্দ্রে তাপমাত্রা প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ৫,৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই তাপ ও আলো পৃথিবীতে আলো ও জীবন প্রদান করে।
৬. প্রশ্ন: সূর্য কোন শক্তি উৎপন্ন করে?
উত্তর: সূর্য নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন করে। এখানে হাইড্রোজেন পরমাণু হেলিয়ামে রূপান্তরিত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি ও আলো উৎপন্ন হয়।
৭. প্রশ্ন: সূর্যের বয়স কত?
উত্তর: বিজ্ঞানীদের মতে সূর্যের বয়স প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর। এটি এখনও মধ্যবয়স্ক নক্ষত্র হিসেবে বিদ্যমান এবং প্রায় ৫ বিলিয়ন বছর পর্যন্ত থাকবে।
৮. প্রশ্ন: সূর্য কি নিজে ঘোরে?
উত্তর: হ্যাঁ, সূর্য তার অক্ষের চারপাশে ঘূর্ণায়মান হয়। এটি একধরনের ঘূর্ণায়মান গ্যাসীয় বল, যার এক ঘূর্ণন প্রায় ২৫–৩৫ দিন সময় নেয়, অবস্থানের উপর নির্ভর করে।
৯. প্রশ্ন: সূর্য কি আলো এবং তাপ ছাড়া আর কিছু উৎপন্ন করে?
উত্তর: হ্যাঁ, সূর্য শুধু আলো ও তাপ নয়, বরং ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রশ্মি এবং সৌর কণা ও সৌর বতাসও উৎপন্ন করে। এগুলো পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন প্রভাব ফেলে।
১০. প্রশ্ন: সূর্য কখন শেষ হবে?
উত্তর: প্রায় ৫ বিলিয়ন বছর পরে, সূর্য তার জীবনের শেষ ধাপে পৌঁছাবে। এটি প্রথমে একটি লাল দৈত্যে পরিণত হবে এবং পরে ধীরে ধীরে হ্রাস পেয়ে শ্বেত বামন নক্ষত্রে পরিণত হবে।
১১. প্রশ্ন: সূর্য কি সব সময় একইভাবে আলোকিত থাকে?
উত্তর: না, সূর্যের পৃষ্ঠে সানস্পট বা সূর্যছায়া দেখা যায়। এগুলো অস্থায়ী কালো দাগ যা সূর্যের তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে কম থাকে। এগুলো সূর্যের চক্র অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।
১২. প্রশ্ন: সূর্য কোন আকারের?
উত্তর: সূর্য প্রায় сферিক (বৃত্তাকার) আকারের। এর পৃষ্ঠের সমান্য অসমতা থাকে, কিন্তু মহাকর্ষ শক্তি এটি প্রায় পূর্ণ বৃত্তাকার রাখে।
১৩. প্রশ্ন: সূর্য কোন দিক থেকে পৃথিবীতে আলো দেয়?
উত্তর: সূর্য পৃথিবীতে সবদিকে আলো ছড়ায়। যেহেতু পৃথিবী ঘূর্ণন করে, তাই সূর্য প্রায় সব সময় সকালে পূর্ব দিকে ওঠে এবং সন্ধ্যায় পশ্চিমে অস্ত যায়।
১৪. প্রশ্ন: সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ কোনটি?
উত্তর: বৃহস্পতি সূর্যের চারপাশের সবচেয়ে বড় গ্রহ। এটি সূর্যের চারপাশে ঘোরে এবং সৌরজগতের মোট ভরের প্রায় ৭৫% অংশ ধারণ করে।
১৫. প্রশ্ন: সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে কত সময় লাগে?
উত্তর: সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছতে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড সময় লাগে। এর মানে, আমরা যে আলো দেখি তা প্রায় ৮ মিনিট আগে উৎপন্ন হয়েছে।
১৬. প্রশ্ন: সূর্য কি পৃথিবীর চেয়ে ভারী?
উত্তর: হ্যাঁ, সূর্যের ভর পৃথিবীর প্রায় ৩৩০,০০০ গুণ। এটি সৌরজগতের প্রায় সব ভরের ৯৯.৮% ধারণ করে।
১৭. প্রশ্ন: সূর্যের তেজস্ক্রিয়তা কি?
উত্তর: সূর্যের তেজস্ক্রিয়তা হ’ল সূর্য থেকে নির্গত সৌর কণা এবং সৌর বায়ুর শক্তি। এটি পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে সৌর ঝড় তৈরি করতে পারে।
১৮. প্রশ্ন: সূর্য কোন ধরণের নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়া ব্যবহার করে?
উত্তর: সূর্য প্রধানত প্রোটন–প্রোটন চক্রের মাধ্যমে নিউক্লিয়ার ফিউশন করে। এখানে হাইড্রোজেন পরমাণু হেলিয়ামে রূপান্তরিত হয় এবং বিশাল শক্তি উৎপন্ন হয়।
১৯. প্রশ্ন: সূর্যের চারপাশে বাকি সব গ্রহ ও উপগ্রহ কীভাবে ঘোরে?
উত্তর: সৌরজগতের গ্রহ ও উপগ্রহগুলো সূর্যের মহাকর্ষীয় শক্তির কারণে কক্ষপথে ঘোরে। এই কক্ষপথ প্রায় বৃত্তাকার বা আলিপ্তাকার আকারের।
২০. প্রশ্ন: সূর্য কি মহাবিশ্বের অন্য নক্ষত্রের মতো?
উত্তর: হ্যাঁ, সূর্যও অন্যান্য নক্ষত্রের মতো এক ধরণের গ্যাসীয় বল। তবে এটি পৃথিবীর কাছে খুব কাছাকাছি হওয়ায় আমরা এটিকে বড় ও উজ্জ্বল দেখি।
২১. প্রশ্ন: সূর্যের চারপাশে ঘূর্ণনকালে গ্রহগুলো কিসের উপর নির্ভর করে?
উত্তর: সূর্যের চারপাশে গ্রহগুলোর ঘূর্ণনকাল তাদের দূরত্বের উপর নির্ভর করে। সূর্যের কাছের গ্রহগুলো দ্রুত ঘোরে, দূরের গ্রহগুলো ধীরে ঘোরে।
২২. প্রশ্ন: সূর্য কি সবসময় স্থির থাকে?
উত্তর: না, সূর্য মহাকাশে ধীর গতিতে আমাদের গ্যালাক্সির কেন্দ্রের চারপাশে ঘোরে। এটি প্রায় ২২০ কিমি/সেকেন্ডের গতিতে কক্ষপথে চলাচল করে।
২৩. প্রশ্ন: সূর্যের পৃষ্ঠকে কী বলা হয়?
উত্তর: সূর্যের পৃষ্ঠকে ফটোস্ফিয়ার বলা হয়। এটি সূর্যের আলো নির্গমনের প্রধান স্তর এবং প্রায় ৫,৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার।
২৪. প্রশ্ন: সূর্যছায়া বা সানস্পট কী?
উত্তর: সূর্যছায়া হল সূর্যের পৃষ্ঠে দেখা যাওয়া অন্ধকার দাগ। এগুলো তুলনামূলকভাবে ঠান্ডা এবং সূর্যের চৌম্বক ক্ষেত্রের কারণে তৈরি হয়।
২৫. প্রশ্ন: সূর্যের আকার পরিবর্তন হয় কি?
উত্তর: সূর্যের আকার প্রায় ধ্রুবক থাকে, কারণ এর মহাকর্ষ শক্তি এবং ভরের ভারসাম্য বজায় থাকে। তবে সূর্যছায়া ও সৌরউচ্চতা সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে।
২৬. প্রশ্ন: সূর্য কি পৃথিবীর জন্য অপরিহার্য?
উত্তর: হ্যাঁ, সূর্য জীবনের জন্য অপরিহার্য। এটি আলো, তাপ এবং সৌর শক্তি দিয়ে পৃথিবীর জলবায়ু, উদ্ভিদ, প্রাণী এবং মানুষকে জীবন দিতে সাহায্য করে।
২৭. প্রশ্ন: সূর্য কোন আকারের বিকিরণ উৎপন্ন করে?
উত্তর: সূর্য ইলেকট্রোম্যাগনেটিক বিকিরণ উৎপন্ন করে, যার মধ্যে দৃশ্যমান আলো, আল্ট্রাভায়োলেট (UV) রশ্মি ও ইনফ্রারেড (IR) অন্তর্ভুক্ত।
২৮. প্রশ্ন: সূর্য কি সমস্ত গ্রহের জন্য একইভাবে আলোকিত করে?
উত্তর: না, সূর্য থেকে দূরের গ্রহগুলোতে আলো ও তাপ কম পৌঁছায়। যেমন নেপচুনে সূর্যের আলো পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৯০ গুণ কম।
২৯. প্রশ্ন: সূর্যের শক্তির উৎস কী?
উত্তর: সূর্যের শক্তি আসে নিউক্লিয়ার ফিউশন থেকে। হাইড্রোজেন পরমাণু হেলিয়ামে রূপান্তরিত হয়ে বিশাল শক্তি উৎপন্ন করে।
৩০. প্রশ্ন: সূর্য কি ভবিষ্যতে ধীরে ধীরে মরে যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, প্রায় ৫ বিলিয়ন বছরের মধ্যে সূর্য একটি লাল দৈত্যে পরিণত হবে এবং পরে শ্বেত বামন নক্ষত্রে পরিণত হয়ে ধীরে ধীরে মরবে।
৩১. প্রশ্ন: সূর্য কি শুধু মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: না, সূর্য সমস্ত প্রাণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। উদ্ভিদ, প্রাণী, মানুষ ও পরিবেশ—সবকিছুর জন্য সূর্য থেকে আলো ও তাপ অপরিহার্য।
৩২. প্রশ্ন: সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহ কোনটি?
উত্তর: সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহ হল মঙ্গল এবং নেপচুনের চেয়ে ছোট হলেও বৃহস্পতি বা শনির তুলনায় অনেক ছোট। তবে প্লুটোকে খণ্ডিত গ্রহ হিসেবে ধরা হয়।
৩৩. প্রশ্ন: সূর্যের আকার কি স্থির?
উত্তর: সূর্যের ভর ও ব্যাস প্রায় স্থির থাকে। তবে এর পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ও সানস্পটের কারণে সামান্য পরিবর্তন দেখা যায়।
৩৪. প্রশ্ন: সূর্যের আলো কীভাবে পৃথিবীতে পৌঁছায়?
উত্তর: সূর্যের আলো প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড সময়ে পৃথিবীতে পৌঁছায়। এটি আলোক তরঙ্গের মাধ্যমে স্থানদূরী অতিক্রম করে।
৩৫. প্রশ্ন: সূর্যের কেন্দ্রের চাপ কত?
উত্তর: সূর্যের কেন্দ্রের চাপ প্রায় ৩.৪ × ১০¹¹ বার (৩৪০ বিলিয়ন বার)। এটি নিউক্লিয়ার ফিউশনকে সম্ভব করে।
৩৬. প্রশ্ন: সূর্যের শক্তি কত দ্রুত বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়?
উত্তর: সূর্যের শক্তি দীর্ঘকাল ধরে স্থিতিশীল থাকে। সূর্যের আলো বা তাপমাত্রা সামান্য চক্রের সাথে পরিবর্তিত হয়, যা প্রায় ১১ বছরের সৌরচক্রের সাথে সম্পর্কিত।
৩৭. প্রশ্ন: সৌরবায়ু কী?
উত্তর: সৌরবায়ু হলো সূর্য থেকে নির্গত ইলেকট্রিক্যালি চার্জযুক্ত কণার প্রবাহ। এটি পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে আর্কটিক আলো তৈরি করতে পারে।
৩৮. প্রশ্ন: সূর্যের প্রায় কত শতাংশ হাইড্রোজেন দিয়ে গঠিত?
উত্তর: সূর্যের মোট ভরের প্রায় ৭৫% হাইড্রোজেন এবং প্রায় ২৪% হিলিয়াম দিয়ে গঠিত। বাকি অণুগুলো নাওত্র, কার্বন, অক্সিজেন ইত্যাদি।
৩৯. প্রশ্ন: সূর্য কি একাই শক্তি উৎপন্ন করে?
উত্তর: হ্যাঁ, সূর্য নিজের নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজেই শক্তি উৎপন্ন করে। এটি অন্য কোনো বাহ্যিক শক্তির উপর নির্ভর করে না।
৪০. প্রশ্ন: সূর্যের শেষ অবস্থায় কোন ধরণের নক্ষত্র হবে?
উত্তর: প্রায় ৫ বিলিয়ন বছরের মধ্যে সূর্য একটি লাল দৈত্যে পরিণত হবে এবং পরে ধীরে ধীরে হ্রাস পেয়ে শ্বেত বামন নক্ষত্রে পরিণত হবে।
৪১. প্রশ্ন: সূর্য কতো বছর বয়সী?
উত্তর: বিজ্ঞানীদের মতে সূর্যের বয়স প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর। এটি এখন মধ্যবয়সী নক্ষত্র হিসেবে বিদ্যমান এবং প্রায় ৫ বিলিয়ন বছর পর্যন্ত থাকবে।
৪২. প্রশ্ন: সূর্যের শক্তি পৃথিবীতে কীভাবে প্রভাব ফেলে?
উত্তর: সূর্যের শক্তি পৃথিবীর জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ করে, উদ্ভিদ ও প্রাণীর জন্য আলো ও তাপ প্রদান করে, এবং সমুদ্রের পানি বাষ্পীভবন ও বৃষ্টিপাত প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে।
৪৩. প্রশ্ন: সূর্য কি আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র?
উত্তর: হ্যাঁ, সূর্য আমাদের সৌরজগতে সবচেয়ে উজ্জ্বল। কারণ এটি পৃথিবীর কাছে অন্যান্য নক্ষত্রের তুলনায় অনেক কাছাকাছি।
৪৪. প্রশ্ন: সূর্য পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে না কেন?
উত্তর: সূর্যের ভর অত্যন্ত বড় এবং এটি সৌরজগতের কেন্দ্রবিন্দু। গ্রহগুলোই সূর্যের চারপাশে মহাকর্ষীয়ভাবে ঘোরে; সূর্য নিজেই খুব কম গতিতে গ্যালাক্সির চারপাশে চলে।
৪৫. প্রশ্ন: সূর্যের রঙ প্রকৃতপক্ষে কী?
উত্তর: সূর্য প্রকৃতপক্ষে একটি হলুদ-সাদা নক্ষত্র। তবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের কারণে আমরা এটিকে উজ্জ্বল হলুদ বা লাল দেখার অভ্যাস করি।
৪৬. প্রশ্ন: সৌরচক্র কী?
উত্তর: সৌরচক্র হল প্রায় ১১ বছরের একটি চক্র, যার মধ্যে সূর্যছায়া, সৌরউচ্চতা ও সৌরবাতাসের কার্যকলাপ বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়। এটি পৃথিবীর জলবায়ু ও চৌম্বক ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করে।
৪৭. প্রশ্ন: সূর্যের শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়ার নাম কী?
উত্তর: সূর্য নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন করে। প্রধানত হাইড্রোজেনকে হেলিয়ামে রূপান্তরিত করা হয়।
৪৮. প্রশ্ন: সূর্য কি মহাকাশে একা আছে?
উত্তর: না, সূর্য আমাদের গ্যালাক্সি মিল্কিওয়ে তে থাকে। এটি প্রায় ২০০–২৫০ বিলিয়ন নক্ষত্রের মধ্যে একটি।
৪৯. প্রশ্ন: সূর্যের আকার পৃথিবীর তুলনায় কত বড়?
উত্তর: সূর্যের ব্যাস প্রায় ১,৩৯,০০,০০০ কিমি, যা পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় ১০৯ গুণ। এটি সৌরজগতের সমস্ত গ্রহের চেয়ে অনেক বড়।
৫০. প্রশ্ন: সূর্য কি সব সময় একইভাবে কাজ করে?
উত্তর: না, সূর্যের কার্যকলাপ সারা সময় স্থির থাকে না। ১১ বছরের সৌরচক্রের মধ্যে এর সৌরছায়া, সৌরউচ্চতা ও সৌরবায়ুর কার্যকলাপ বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়।
৫১. প্রশ্ন: সূর্য কতো সময় ধরে আলো ও শক্তি উৎপন্ন করছে?
উত্তর: সূর্য প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর ধরে আলো ও শক্তি উৎপন্ন করছে এবং এটি আগামী প্রায় ৫ বিলিয়ন বছর এই প্রক্রিয়ায় অব্যাহত থাকবে।
৫২. প্রশ্ন: সূর্যের চারপাশে পৃথিবী কতো সময়ে ঘোরে?
উত্তর: পৃথিবী সূর্যের চারপাশে এক পূর্ণ কক্ষপথ সম্পূর্ণ করতে প্রায় ৩৬৫ দিন বা ১ বছর সময় নেয়।
৫৩. প্রশ্ন: সূর্যের মহাকর্ষ শক্তি পৃথিবীতে কী প্রভাব ফেলে?
উত্তর: সূর্যের মহাকর্ষ পৃথিবীর কক্ষপথ ও মৌসুমি পরিবর্তন নিয়ন্ত্রণ করে। এটি সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা প্রক্রিয়াতেও প্রভাব ফেলে।
৫৪. প্রশ্ন: সূর্যের মধ্যে কোন শক্তির উৎস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: সূর্যের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শক্তির উৎস হলো নিউক্লিয়ার ফিউশন। হাইড্রোজেন পরমাণু হেলিয়ামে রূপান্তরিত হয়ে বিশাল শক্তি উৎপন্ন করে।
৫৫. প্রশ্ন: সূর্যের তাপমাত্রা পৃথিবীতে কীভাবে প্রভাব ফেলে?
উত্তর: সূর্যের তাপ পৃথিবীর জলবায়ু ও ঋতু পরিবর্তনকে নিয়ন্ত্রণ করে। এটি বায়ুমণ্ডল ও সমুদ্রের তাপমাত্রা প্রভাবিত করে, যা জীবনের জন্য অপরিহার্য।
৫৬. প্রশ্ন: সৌরবাতাস কী?
উত্তর: সৌরবাতাস হলো সূর্য থেকে নির্গত চার্জযুক্ত কণা এবং ইলেকট্রন ও প্রোটনের প্রবাহ। এটি পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের সাথে মিথস্ক্রিয়া করে সৌরঝড় এবং অরোরা সৃষ্টি করে।
৫৭. প্রশ্ন: সূর্য কি মহাকাশে শান্তভাবে আছে?
উত্তর: না, সূর্য মহাকাশে স্থির নয়। এটি আমাদের গ্যালাক্সির কেন্দ্রের চারপাশে ধীর গতিতে ঘুরছে এবং একই সময়ে নিজ অক্ষে ঘোরে।
৫৮. প্রশ্ন: সূর্যের পৃষ্ঠকে কী বলা হয়?
উত্তর: সূর্যের পৃষ্ঠকে ফটোস্ফিয়ার বলা হয়। এটি সূর্যের আলো ও তাপ নির্গমনের প্রধান স্তর।
৫৯. প্রশ্ন: সূর্যের ভর পৃথিবীর ভরের তুলনায় কত বেশি?
উত্তর: সূর্যের ভর পৃথিবীর প্রায় ৩৩০,০০০ গুণ। এটি সৌরজগতের মোট ভরের ৯৯.৮% ধারণ করে।
৬০. প্রশ্ন: সূর্য কি আমাদের সৌরজগতের কেন্দ্র?
উত্তর: হ্যাঁ, সূর্য সৌরজগতের কেন্দ্রবিন্দু। সমস্ত গ্রহ, উপগ্রহ ও ক্ষুদ্রগ্রহ সূর্যের চারপাশে মহাকর্ষীয়ভাবে ঘোরে।
৬১. প্রশ্ন: সূর্য কোন গ্যাস দ্বারা প্রধানত গঠিত?
উত্তর: সূর্য প্রধানত হাইড্রোজেন দিয়ে গঠিত। মোট ভরের প্রায় ৭৫% হাইড্রোজেন এবং প্রায় ২৪% হেলিয়াম।
৬২. প্রশ্ন: সূর্যের কেন্দ্রের তাপমাত্রা কত?
উত্তর: সূর্যের কেন্দ্রে তাপমাত্রা প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই উচ্চ তাপমাত্রা নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়াকে সম্ভব করে।
৬৩. প্রশ্ন: সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছতে কত সময় নেয়?
উত্তর: সূর্যের আলো পৃথিবীতে পৌঁছতে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড সময় লাগে।
৬৪. প্রশ্ন: সৌরছায়া বা সানস্পট কী?
উত্তর: সানস্পট হলো সূর্যের পৃষ্ঠে অস্থায়ী অন্ধকার দাগ। এগুলো তুলনামূলকভাবে ঠান্ডা এবং সূর্যের চৌম্বক ক্ষেত্রের কারণে তৈরি হয়।
৬৫. প্রশ্ন: সৌরচক্র কত বছরের?
উত্তর: সৌরচক্র প্রায় ১১ বছরের। এই সময়ে সূর্যছায়া, সৌরউচ্চতা ও সৌরবায়ুর কার্যকলাপ বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়।
৬৬. প্রশ্ন: সূর্য পৃথিবীর জন্য কোন কোন ধরনের শক্তি উৎপন্ন করে?
উত্তর: সূর্য পৃথিবীর জন্য তাপ, আলো এবং সৌরকণা (সৌরবাতাস) উৎপন্ন করে। এগুলো জীবনের জন্য অপরিহার্য।
৬৭. প্রশ্ন: সূর্যের শেষ অবস্থায় কোন নক্ষত্রে পরিণত হবে?
উত্তর: প্রায় ৫ বিলিয়ন বছরের মধ্যে সূর্য একটি লাল দৈত্যে পরিণত হবে এবং পরে ধীরে ধীরে শ্বেত বামন নক্ষত্রে পরিণত হবে।
৬৮. প্রশ্ন: সূর্যের কেন্দ্রের চাপ কত বেশি?
উত্তর: সূর্যের কেন্দ্রের চাপ প্রায় ৩.৪ × ১০¹¹ বার। এটি নিউক্লিয়ার ফিউশনকে সম্ভব করে।
৬৯. প্রশ্ন: সূর্য কি শুধু পৃথিবীর জন্য আলোকিত করে?
উত্তর: না, সূর্য সমগ্র সৌরজগতকে আলোকিত করে। তবে পৃথিবী সূর্যের কাছাকাছি হওয়ায় আমরা এটিকে সবচেয়ে উজ্জ্বল দেখি।
৭০. প্রশ্ন: সূর্য কি অন্য নক্ষত্রের মতো?
উত্তর: হ্যাঁ, সূর্যও অন্যান্য নক্ষত্রের মতো গ্যাসীয় বল। এটি হাইড্রোজেন ও হেলিয়াম দিয়ে গঠিত এবং নিজস্ব নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন করে।
৭১. প্রশ্ন: সূর্যের চারপাশে কক্ষপথে ঘূর্ণন করা গ্রহগুলোর গতির নিয়ম কী?
উত্তর: সূর্যের কাছে থাকা গ্রহগুলো দ্রুত ঘোরে, আর দূরের গ্রহগুলো ধীরে ঘোরে। এটি কেপলারের তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী।
৭২. প্রশ্ন: সূর্যের তাপমাত্রা পৃষ্ঠে কত?
উত্তর: সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ৫,৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি পৃথিবীতে আলো ও তাপ সরবরাহ করে।
৭৩. প্রশ্ন: সূর্য কি শুধু দৃশ্যমান আলো দেয়?
উত্তর: না, সূর্য শুধু দৃশ্যমান আলো নয়, বরং ইনফ্রারেড, আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি এবং সৌর কণা ও সৌর বায়ুও উৎপন্ন করে।
৭৪. প্রশ্ন: সূর্য পৃথিবীর কোন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে?
উত্তর: সূর্য পৃথিবীর জলবায়ু, ঋতু, সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা এবং বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রাকে প্রভাবিত করে।
৭৫. প্রশ্ন: সৌরঝড় কী?
উত্তর: সৌরঝড় হলো সূর্যের কার্যকলাপের কারণে সৃষ্ট শক্তিশালী সৌরবাতাসের ঢেউ, যা পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে।
৭৬. প্রশ্ন: সৌরচক্রের প্রভাব কি?
উত্তর: সৌরচক্রের সময় সূর্যছায়া ও সৌরবাতাসের কার্যকলাপ বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়। এটি পৃথিবীর আবহাওয়া ও চৌম্বক ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করে।
৭৭. প্রশ্ন: সূর্য পৃথিবীর তুলনায় কত বড়?
উত্তর: সূর্যের ব্যাস প্রায় ১,৩৯,০০,০০০ কিমি, যা পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় ১০৯ গুণ।
৭৮. প্রশ্ন: সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র কোনটি?
উত্তর: সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র হলো সূর্য, কারণ এটি পৃথিবীর কাছে সবচেয়ে কাছাকাছি।
৭৯. প্রশ্ন: সূর্য কতো সময় ধরে বিদ্যমান থাকবে?
উত্তর: সূর্য প্রায় ১০ বিলিয়ন বছর পর্যন্ত বিদ্যমান থাকবে। বর্তমানে এটি প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর বয়সী।
৮০. প্রশ্ন: সূর্য কি সৌরজগতের সব গ্রহকে সমানভাবে আলোকিত করে?
উত্তর: না, দূরের গ্রহগুলোতে সূর্যের আলো ও তাপ কম পৌঁছায়। যেমন নেপচুনে সূর্যের আলো পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৯০ গুণ কম।
৮১. প্রশ্ন: সূর্যের ভরের প্রায় কত ভাগ সৌরজগতের মোট ভরের?
উত্তর: সূর্য সৌরজগতের মোট ভরের প্রায় ৯৯.৮% ধারণ করে। বাকি অংশ গ্রহ, উপগ্রহ ও ক্ষুদ্রগ্রহের।
৮২. প্রশ্ন: সূর্য পৃথিবীর চেয়ে কত বড়?
উত্তর: সূর্যের ব্যাস প্রায় ১,৩৯,০০,০০০ কিমি, যা পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় ১০৯ গুণ।
৮৩. প্রশ্ন: সূর্যের আলো কেমন ধরণের বিকিরণ?
উত্তর: সূর্যের আলো হলো ইলেকট্রোম্যাগনেটিক বিকিরণ, যার মধ্যে দৃশ্যমান আলো, আল্ট্রাভায়োলেট (UV) এবং ইনফ্রারেড (IR) অন্তর্ভুক্ত।
৮৪. প্রশ্ন: সূর্য পৃথিবীর জন্য কোন প্রকার শক্তি সরবরাহ করে?
উত্তর: সূর্য পৃথিবীর জন্য আলো, তাপ এবং সৌরকণা (সৌরবাতাস) সরবরাহ করে, যা জীবন ও পরিবেশের জন্য অপরিহার্য।
৮৫. প্রশ্ন: সৌরছায়া বা সানস্পট কিসের কারণে তৈরি হয়?
উত্তর: সূর্যের চৌম্বক ক্ষেত্রের কারণে সূর্যের পৃষ্ঠে অস্থায়ী অন্ধকার দাগ বা সানস্পট তৈরি হয়।
৮৬. প্রশ্ন: সৌরঝড় পৃথিবীতে কী প্রভাব ফেলে?
উত্তর: সৌরঝড় চৌম্বক ক্ষেত্র ও উপগ্রহের যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রভাবিত করতে পারে। কখনও কখনও অরোরা (উত্তর ও দক্ষিণ আলো) সৃষ্টি হয়।
৮৭. প্রশ্ন: সূর্যের কেন্দ্রে কি ঘটে?
উত্তর: সূর্যের কেন্দ্রে নিউক্লিয়ার ফিউশন ঘটে, যেখানে হাইড্রোজেন পরমাণু হেলিয়ামে রূপান্তরিত হয়ে বিশাল শক্তি উৎপন্ন হয়।
৮৮. প্রশ্ন: সূর্য পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে না কেন?
উত্তর: সূর্য সৌরজগতের সবচেয়ে ভারী বস্তু। গ্রহগুলো তার চারপাশে মহাকর্ষীয়ভাবে ঘোরে; সূর্য নিজেই খুব ধীর গতিতে গ্যালাক্সির চারপাশে চলে।
৮৯. প্রশ্ন: সৌরচক্রের সময় কত বছর ধরে সূর্যের কার্যকলাপ পরিবর্তিত হয়?
উত্তর: সৌরচক্র প্রায় ১১ বছরের। এর মধ্যে সূর্যছায়া, সৌরউচ্চতা ও সৌরবাতাসের কার্যকলাপ বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়।
৯০. প্রশ্ন: সূর্যের শেষ অবস্থায় কী হবে?
উত্তর: প্রায় ৫ বিলিয়ন বছরের মধ্যে সূর্য লাল দৈত্যে পরিণত হবে এবং পরে ধীরে ধীরে শ্বেত বামন নক্ষত্রে রূপান্তরিত হয়ে মৃত্যুবরণ করবে।
৯১. প্রশ্ন: সূর্য পৃথিবীতে আলো পৌঁছাতে কত দ্রুত গতিতে বিকিরণ করে?
উত্তর: সূর্যের আলো প্রায় ২৯৯,৭,৯৫,৪৫৮ মিটার/সেকেন্ড গতিতে মহাকাশ অতিক্রম করে, যা আলোর গতিবেগ।
৯২. প্রশ্ন: সূর্যের কোন অংশ থেকে আলোর প্রধান প্রবাহ বের হয়?
উত্তর: সূর্যের ফটোস্ফিয়ার থেকে প্রধান আলো নির্গত হয়। এটি সূর্যের দৃশ্যমান পৃষ্ঠ।
৯৩. প্রশ্ন: সৌরবাতাস কীভাবে পৃথিবীতে প্রভাব ফেলে?
উত্তর: সৌরবাতাস পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে অরোরা সৃষ্টি করে এবং কখনও কখনও স্যাটেলাইট ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় সমস্যা আনতে পারে।
৯৪. প্রশ্ন: সূর্য পৃথিবীর তুলনায় কত ভরী?
উত্তর: সূর্য পৃথিবীর প্রায় ৩৩০,০০০ গুণ ভরী। এটি সৌরজগতের প্রায় সব ভরের ৯৯.৮% ধারণ করে।
৯৫. প্রশ্ন: সূর্যের তাপমাত্রা পৃথিবীতে জীবনধারণের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: সূর্যের তাপমাত্রা পৃথিবীর জলবায়ু ও পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি উদ্ভিদ, প্রাণী ও মানুষের জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য।
৯৬. প্রশ্ন: সূর্যের আলোতে কোন ধরণের বিকিরণ রয়েছে?
উত্তর: সূর্যের আলোতে দৃশ্যমান আলো, আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি (UV) এবং ইনফ্রারেড রশ্মি (IR) অন্তর্ভুক্ত।
৯৭. প্রশ্ন: সৌরছায়া বা সানস্পট কোন কারণে গরম হয় না?
উত্তর: সূর্যছায়া তুলনামূলকভাবে ঠান্ডা, কারণ চৌম্বক ক্ষেত্র শক্তিশালী এবং সেই অংশের তাপমাত্রা কম থাকে।
৯৮. প্রশ্ন: সূর্য কি গ্যালাক্সির মধ্যে স্থির?
উত্তর: না, সূর্য গ্যালাক্সির কেন্দ্রের চারপাশে ধীরে ধীরে ঘুরছে। এটি একই সময়ে নিজ অক্ষে ঘোরে।
৯৯. প্রশ্ন: সৌরজগতের সব গ্রহ সূর্যের আলো সমানভাবে পান কি?
উত্তর: না, সূর্য থেকে দূরের গ্রহগুলোতে আলো ও তাপ কম পৌঁছায়। যেমন নেপচুনে সূর্যের আলো পৃথিবীর তুলনায় প্রায় ৯০ গুণ কম।
১০০. প্রশ্ন: সূর্য কি পৃথিবীর জন্য অপরিহার্য?
উত্তর: হ্যাঁ, সূর্য জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য। এটি আলো, তাপ ও সৌর শক্তি সরবরাহ করে, যা উদ্ভিদ, প্রাণী ও মানুষের জন্য অপরিহার্য।