কম্পিত অ্যাস্পেন গাছ সম্পর্কিত 4০টি সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে প্রশ্ন ও উত্তর 

Spread the love

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের পরিবেশগত গুরুত্বের মধ্যে কোন গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে?
উত্তর: মাটি আটকানো, জল সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণীর বাসস্থান এবং বায়ু পরিশোধন করা।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
উত্তর: Populus tremuloides

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন কোন পরিবারভুক্ত গাছ?
উত্তর: Salicaceae পরিবার

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের মূল বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: পাতার নরম দুলানো, পাতা কম্পনের কারণে “Quaking” নাম পাওয়া।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছ কোন অঞ্চলে বেশি জন্মায়?
উত্তর: উত্তর আমেরিকা এবং ক্যানাডার ঠান্ডা ও সমতল এলাকায়।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছ কত প্রকারে জন্মায়?
উত্তর: এক প্রজাতির হলেও বিভিন্ন ভ্যারাইটি আছে।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের গড় উচ্চতা কত?
উত্তর: ২০–৩০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের তনু কেমন হয়?
উত্তর: সাদা বা হালকা ধূসর, মসৃণ বARK।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন পাতার আকার কেমন?
উত্তর: ছোট, গোলাকার বা উপবৃত্তাকার, পাতার নীচে পাতার ডাল সহজেই দুলে।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের পাতার প্রান্ত কেমন?
উত্তর: ছোট-দাঁতযুক্ত (toothed) প্রান্ত।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছ কী ধরণের ফল উৎপন্ন করে?
উত্তর: ছোট, শুকনো ক্যাপসুল বা সিলিকল।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের বীজ কীভাবে ছড়ায়?
উত্তর: বাতাসের মাধ্যমে বীজ ছড়ায়।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছ কোন মাটিতে ভালো জন্মায়?
উত্তর: ভরাট ও আর্দ্র মাটি ভালোবাসে।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের বার্ষিক বৃদ্ধি হার কত?
উত্তর: বছরে প্রায় ৩০–৬০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের পাতার রং মৌসুম অনুযায়ী কেমন হয়?
উত্তর: বসন্তে সবুজ, শরতে হলুদ বা সোনালী।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের জীবদ্দায়ীকাল কত?
উত্তর: ব্যক্তিগত গাছ ৫০–১৫০ বছর, তবে ক্লোন বহু হাজার বছর বাঁচতে পারে।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের ক্লোনিং বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: মাটির নীচের অংশ থেকে নতুন শিকড় বের করে একাধিক গাছ জন্মায়।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের সবচেয়ে বড় পরিচিত ক্লোনের নাম কী?
উত্তর: Pando

প্রশ্ন: Pando কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: ইউটাহ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

প্রশ্ন: Pando কত বছরের পুরনো?
উত্তর: প্রায় ৮০,০০০ বছর

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের মূলত কোন ঋতুতে পাতা ঝরে?
উত্তর: শরতে

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছ কী ধরণের গাছ?
উত্তর: পাতা ঝরা (deciduous) গাছ

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের কাঠ কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: কাঠের ফার্নিচার, পেপার এবং কাঠের ছোট জিনিস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের পাতা কীভাবে দুলায়?
উত্তর: পাতার টানেল বা লম্বা পেটিওলের কারণে বাতাসে দুলায়।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের পরিবেশগত গুরুত্ব কী?
উত্তর: মাটি আটকানো, বন্যপ্রাণীর আবাসন এবং বায়ু শুদ্ধিতে সাহায্য করে।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের বীজের বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: ছোট, হালকা ও বাতাসে সহজে ছড়িয়ে যায়।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের পাতা কোন রকম ত্বকীয় বৈশিষ্ট্য রাখে?
উত্তর: পাতার নীচে মসৃণ এবং ত্বকীয়।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছ সাধারণত কোন উচ্চতায় জন্মায়?
উত্তর: সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩০০–৩,০০০ মিটার উচ্চতায়।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছ কীভাবে পরিবেশের জন্য উপকারী?
উত্তর: কার্বন শোষণ করে এবং মাটি সুরক্ষায় সাহায্য করে।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের কী ধরনের ফুল থাকে?
উত্তর: ছোট, ঝুলন্ত, হালকা রঙের।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের পাতার আকার বাতাসে দুলানোর সুবিধা দেয় কেন?
উত্তর: পাতার পাতলা ও লম্বা পেটিওল বাতাসে সহজে কম্পিত হয়।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছ কোন জলবায়ুতে ভালো জন্মায়?
উত্তর: শীতল ও আর্দ্র জলবায়ুতে

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের নরম কাঠ কীভাবে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: হালকা কাঠের তৈরিতে, যেমন কাঠের প্যালেট, বোর্ড, এবং খিলান।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছ বন্যপ্রাণীর জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর: পাখি ও অন্যান্য প্রাণীর আশ্রয় ও খাদ্য সরবরাহ করে।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের পাতা ঝরার ফলে মাটির পুষ্টি কেমন হয়?
উত্তর: পাতা ঝরার ফলে মাটিতে জৈব পুষ্টি বৃদ্ধি পায়।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের সবচেয়ে পরিচিত বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তর: বাতাসে পাতার কম্পন বা “Quaking”

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের পাতা কী ধরণের শাখার সঙ্গে সংযুক্ত থাকে?
উত্তর: লম্বা, পাতলা পেটিওল

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের প্রতিটি ক্লোন কি একই বীজ থেকে জন্মায়?
উত্তর: না, এটি মূলত ভাজ (root sucker) থেকে জন্মায়।

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের নরম কাঠের ঘনত্ব কেমন?
উত্তর: হালকা এবং নরম

প্রশ্ন: কম্পিত অ্যাস্পেন গাছের পাতার রঙ শরতে কীভাবে পরিবর্তিত হয়?
উত্তর: সবুজ থেকে সোনালী বা হলুদে পরিণত হয়

Leave a Comment

You cannot copy content of this page