পরমাণু হলো পদার্থের ক্ষুদ্রতম একক যা রাসায়নিকভাবে অনন্য বৈশিষ্ট্য বহন করে। প্রতিটি পরমাণুতে নিউক্লিয়াস এবং ইলেকট্রন থাকে, যা পরমাণুর গঠন ও আচরণ নির্ধারণ করে। নিউক্লিয়াসে প্রোটন এবং নিউট্রন থাকে, যা পরমাণুর ভর ও স্থায়িত্ব নির্ধারণ করে, আর ইলেকট্রন শেল বা কক্ষপথে ঘুরে থাকা ইলেকট্রন পরমাণুর রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে।
পরমাণুর গঠন, ইলেকট্রনের কক্ষপথ, ভ্যালেন্স ইলেকট্রন, আয়ন এবং আইসোটোপ নিয়ে জানার মাধ্যমে আমরা পদার্থ ও রসায়ন সম্পর্কে গভীর ধারণা লাভ করি। এই প্রশ্নোত্তর তালিকায় আমরা পরমাণুর মূল অংশ, পারমাণবিক কণিকা, শক্তি স্তর, মডেল এবং রাসায়নিক আচরণ সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান একত্র করেছি।
প্রশ্ন ১: পরমাণু কী?
উত্তর ১: পরমাণু হলো পদার্থের ক্ষুদ্রতম একক যা রাসায়নিকভাবে অনন্য বৈশিষ্ট্য বহন করে।
প্রশ্ন ২: পরমাণুর কেন্দ্রকে কী বলা হয়?
উত্তর ২: নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রকে বলা হয়।
প্রশ্ন ৩: পরমাণুর কেন্দ্রে কী থাকে?
উত্তর ৩: প্রোটন এবং নিউট্রন থাকে।
প্রশ্ন ৪: প্রোটনের চার্জ কত?
উত্তর ৪: প্রোটনের ধনাত্মক (+) চার্জ থাকে।
প্রশ্ন ৫: ইলেকট্রনের চার্জ কত?
উত্তর ৫: ইলেকট্রনের ঋণাত্মক (-) চার্জ থাকে।
প্রশ্ন ৬: নিউট্রনের চার্জ কত?
উত্তর ৬: নিউট্রন নিরপেক্ষ, কোনো চার্জ নেই।
প্রশ্ন ৭: হাইড্রোজেন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে কী থাকে?
উত্তর ৭: হাইড্রোজেন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে সাধারণত এক প্রোটন থাকে।
প্রশ্ন ৮: ইলেকট্রন কোথায় থাকে?
উত্তর ৮: ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের চারপাশে ইলেকট্রন শেল বা কক্ষপথে থাকে।
প্রশ্ন ৯: প্রোটন, নিউট্রন ও ইলেকট্রনকে একসাথে কী বলা হয়?
উত্তর ৯: উপকণিকা বা subatomic particle বলা হয়।
প্রশ্ন ১০: কোন উপকণিকাটি পরমাণুর ভরের সবচেয়ে বড় অংশ ধারণ করে?
উত্তর ১০: নিউক্লিয়াসের মধ্যে থাকা প্রোটন ও নিউট্রন।
প্রশ্ন ১১: পরমাণুর মোট চার্জ কিভাবে নির্ধারণ করা হয়?
উত্তর ১১: প্রোটনের ধনাত্মক চার্জ ও ইলেকট্রনের ঋণাত্মক চার্জের পার্থক্য দ্বারা।
প্রশ্ন ১২: কোন অংশটি পরমাণুর রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে?
উত্তর ১২: ইলেকট্রন, বিশেষ করে ভ্যালেন্স ইলেকট্রন।
প্রশ্ন ১৩: ইলেকট্রনের ভরের তুলনায় প্রোটনের ভর কত?
উত্তর ১৩: প্রায় ১৮৩৬ গুণ বেশি।
প্রশ্ন ১৪: ইলেকট্রনের ভর কত?
উত্তর ১৪: প্রায় ৯.১১ × 10⁻³¹ কেজি।
প্রশ্ন ১৫: প্রোটনের ভর কত?
উত্তর ১৫: প্রায় ১.৬৭ × 10⁻²⁷ কেজি।
প্রশ্ন ১৬: নিউট্রনের ভর কত?
উত্তর ১৬: প্রায় ১.৬৭ × 10⁻²৭ কেজি।
প্রশ্ন ১৭: পরমাণুর আণবিক সংখ্যা কী বোঝায়?
উত্তর ১৭: নিউক্লিয়াসে প্রোটনের সংখ্যা।
প্রশ্ন ১৮: নিউক্লিয়াসকে স্থিতিশীল রাখে কোন শক্তি?
উত্তর ১৮: নিউক্লিয়ার শক্তি বা শক্তিশালী পারমাণবিক বল।
প্রশ্ন ১৯: ইলেকট্রন শেলের মধ্যে ইলেকট্রনের গতি কেমন?
উত্তর ১৯: অত্যন্ত দ্রুত এবং অস্থির।
প্রশ্ন ২০: কোন মডেলটি প্রথমে পরমাণুর কেন্দ্রের ধারণা দিয়েছিল?
উত্তর ২০: রাদারফোর্ড মডেল।
প্রশ্ন ২১: বোর মডেল কী?
উত্তর ২১: এটি পরমাণুর ইলেকট্রন শেলকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে বৃত্তাকারভাবে অবস্থানরত দেখানোর মডেল।
প্রশ্ন ২২: ইলেকট্রনের কক্ষপথকে আর কী বলা হয়?
উত্তর ২২: অরবিট বা শেল বলা হয়।
প্রশ্ন ২৩: ভ্যালেন্স ইলেকট্রন কী?
উত্তর ২৩: পরমাণুর সর্বোচ্চ শক্তি স্তরে থাকা ইলেকট্রন।
প্রশ্ন ২৪: ভ্যালেন্স ইলেকট্রন কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর ২৪: এটি রাসায়নিক বন্ধন এবং বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।
প্রশ্ন ২৫: পারমাণবিক সংখ্যা ও ভরের পার্থক্য কী?
উত্তর ২৫: পারমাণবিক সংখ্যা প্রোটনের সংখ্যা, ভর প্রোটন ও নিউট্রনের মোট।
প্রশ্ন ২৬: আইসোটোপ কী?
উত্তর ২৬: একই পরমাণুর প্রোটনের সংখ্যা একই, কিন্তু নিউট্রনের সংখ্যা ভিন্ন পারমাণবিক রূপ।
প্রশ্ন ২৭: হাইড্রোজেনের কতটি আইসোটোপ আছে?
উত্তর ২৭: তিনটি – প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম, ট্রিটিয়াম।
প্রশ্ন ২৮: আয়ন কী?
উত্তর ২৮: যে পরমাণুতে ইলেকট্রনের সংখ্যা প্রোটনের সংখ্যা থেকে আলাদা।
প্রশ্ন ২৯: ধনাত্মক আয়ন কীভাবে তৈরি হয়?
উত্তর ২৯: ইলেকট্রন হারালে।
প্রশ্ন ৩০: ঋণাত্মক আয়ন কীভাবে তৈরি হয়?
উত্তর ৩০: ইলেকট্রন গ্রহণ করলে।
প্রশ্ন ৩১: মৌলিক কণার মধ্যে কোনটি বিদ্যুৎ বহন করে?
উত্তর ৩১: প্রোটন এবং ইলেকট্রন।
প্রশ্ন ৩২: প্রোটনের চার্জ ও ইলেকট্রনের চার্জ কি সমান?
উত্তর ৩২: হ্যাঁ, মান সমান কিন্তু চিহ্ন বিপরীত।
প্রশ্ন ৩৩: নিউট্রন কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর ৩৩: নিউট্রন নিউক্লিয়াসকে স্থিতিশীল রাখে এবং পারমাণবিক ভর বাড়ায়।
প্রশ্ন ৩৪: কোন কণাটি পরমাণুর ভরের প্রধান অংশ গঠন করে?
উত্তর ৩৪: প্রোটন ও নিউট্রন।
প্রশ্ন ৩৫: বোর মডেল কোন ধরণের কক্ষপথে ইলেকট্রনকে দেখায়?
উত্তর ৩৫: নির্দিষ্ট বৃত্তাকার কক্ষপথে।
প্রশ্ন ৩৬: পরমাণুর কোন অংশে সবচেয়ে বেশি শক্তি থাকে?
উত্তর ৩৬: ইলেকট্রন শেল বা ভ্যালেন্স ইলেকট্রনে।
প্রশ্ন ৩৭: হাইড্রোজেন পরমাণুর সবচেয়ে সাধারণ আইসোটোপ কী?
উত্তর ৩৭: প্রোটিয়াম।
প্রশ্ন ৩৮: পারমাণবিক ভরের একক কী?
উত্তর ৩৮: amu (atomic mass unit)।
প্রশ্ন ৩৯: কোন অংশটি রাসায়নিক বন্ধন গঠনে প্রধান ভূমিকা রাখে?
উত্তর ৩৯: ভ্যালেন্স ইলেকট্রন।
প্রশ্ন ৪০: নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ প্রায় কত?
উত্তর ৪০: প্রায় ১০⁻¹⁵ মিটার (ফেমটোমিটার) রেঞ্জে।
প্রশ্ন ৪১: পরমাণুর ইলেকট্রন শেলগুলোর নাম কী কী?
উত্তর ৪১: K, L, M, N, O, P, Q।
প্রশ্ন ৪২: K শেল কতটি ইলেকট্রন ধারণ করতে পারে?
উত্তর ৪২: সর্বোচ্চ ২টি ইলেকট্রন।
প্রশ্ন ৪৩: L শেল কতটি ইলেকট্রন ধারণ করতে পারে?
উত্তর ৪৩: সর্বোচ্চ ৮টি ইলেকট্রন।
প্রশ্ন ৪৪: M শেল কতটি ইলেকট্রন ধারণ করতে পারে?
উত্তর ৪৪: সর্বোচ্চ ১৮টি ইলেকট্রন।
প্রশ্ন ৪৫: N শেল কতটি ইলেকট্রন ধারণ করতে পারে?
উত্তর ৪৫: সর্বোচ্চ ৩২টি ইলেকট্রন।
প্রশ্ন ৪৬: ভ্যালেন্স ইলেকট্রন কত ধরনের রাসায়নিক বন্ধন তৈরি করতে পারে?
উত্তর ৪৬: এক বা একাধিক কভ্যালেন্ট, আয়নিক বা ধাতব বন্ধন।
প্রশ্ন ৪৭: পরমাণুর কোন অংশ সবচেয়ে ক্ষুদ্র?
উত্তর ৪৭: ইলেকট্রন।
প্রশ্ন ৪৮: পারমাণবিক নম্বর কাকে নির্দেশ করে?
উত্তর ৪৮: নিউক্লিয়াসে প্রোটনের সংখ্যা।
প্রশ্ন ৪৯: একই পরমাণুর আইসোটোপগুলোতে পার্থক্য কী থাকে?
উত্তর ৪৯: নিউট্রনের সংখ্যা ভিন্ন থাকে।
প্রশ্ন ৫০: পরমাণুর স্থায়িত্ব কি দ্বারা নির্ধারিত হয়?
উত্তর ৫০: নিউট্রন ও প্রোটনের অনুপাত এবং নিউক্লিয়ার শক্তি।
প্রশ্ন ৫১: ইলেকট্রন ক্লাউড মডেল কী?
উত্তর ৫১: এটি ইলেকট্রনের অবস্থানকে সম্ভাব্য এলাকার মাধ্যমে দেখায়, যেখানে ইলেকট্রন পাওয়া যেতে পারে।
প্রশ্ন ৫২: হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতি কী নির্দেশ করে?
উত্তর ৫২: একসাথে ইলেকট্রনের অবস্থান এবং গতি নির্ধারণ করা যায় না নির্দিষ্টভাবে।
প্রশ্ন ৫৩: কোন মডেলটি ইলেকট্রনের কণার এবং তরঙ্গের প্রকৃতি উভয়কে বিবেচনা করে?
উত্তর ৫৩: ডেব্রোগলি মডেল।
প্রশ্ন ৫৪: পারমাণবিক কক্ষপথে ইলেকট্রনের শক্তি স্তর কী?
উত্তর ৫৪: নির্দিষ্ট শক্তি যার মধ্যে ইলেকট্রন অবস্থান করতে পারে।
প্রশ্ন ৫৫: কোন উপাদানটির পরমাণু সবচেয়ে সাধারণভাবে স্থিতিশীল?
উত্তর ৫৫: হেলিয়াম।
প্রশ্ন ৫৬: আয়ন বনাম পরমাণুর পার্থক্য কী?
উত্তর ৫৬: আয়নে ইলেকট্রনের সংখ্যা প্রোটনের থেকে ভিন্ন, কিন্তু পরমাণু নিরপেক্ষ।
প্রশ্ন ৫৭: কোন কণাটি পরমাণুর বৈদ্যুতিক চৌম্বকীয় আচরণে মূল ভূমিকা রাখে?
উত্তর ৫৭: ইলেকট্রন।
প্রশ্ন ৫৮: নিউট্রন আবিষ্কার করেন কে?
উত্তর ৫৮: জেমস চ্যাডউইক।
প্রশ্ন ৫৯: প্রোটন আবিষ্কার করেন কে?
উত্তর ৫৯: আর্নস্ট রাদারফোর্ড।
প্রশ্ন ৬০: কোন মডেলটি পরমাণুর স্থিতিশীল নিউক্লিয়াস ধারণা দেয়?
উত্তর ৬০: রাদারফোর্ড মডেল।
প্রশ্ন ৬১: ইলেকট্রনের ভর প্রায় কত কেজি?
উত্তর ৬১: প্রায় ৯.১১ × 10⁻³¹ কেজি।
প্রশ্ন ৬২: প্রোটনের ভর প্রায় কত কেজি?
উত্তর ৬২: প্রায় ১.৬৭ × 10⁻²৭ কেজি।
প্রশ্ন ৬৩: নিউট্রনের ভর প্রায় কত কেজি?
উত্তর ৬৩: প্রায় ১.৬৭ × 10⁻²৭ কেজি (প্রায় প্রোটনের সমান)।
প্রশ্ন ৬৪: পরমাণুর মোট ভর নির্ধারণ করে কোন উপাদানগুলো?
উত্তর ৬৪: প্রোটন ও নিউট্রন।
প্রশ্ন ৬৫: ভ্যালেন্স ইলেকট্রন কত ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ নেয়?
উত্তর ৬৫: আয়নিক, কভ্যালেন্ট এবং ধাতব বন্ধনে।
প্রশ্ন ৬৬: বোর মডেল কবে প্রবর্তিত হয়?
উত্তর ৬৬: ১৯১৩ সালে।
প্রশ্ন ৬৭: ইলেকট্রনের চার্জের মান কত?
উত্তর ৬৭: -1.602 × 10⁻¹⁹ কুলম্ব।
প্রশ্ন ৬৮: প্রোটনের চার্জের মান কত?
উত্তর ৬৮: +1.602 × 10⁻¹⁹ কুলম্ব।
প্রশ্ন ৬৯: নিউট্রনকে কি ধরণের চার্জ আছে?
উত্তর ৬৯: নিউট্রন নিরপেক্ষ, কোনো চার্জ নেই।
প্রশ্ন ৭০: ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রনের সমন্বয়কে কী বলা হয়?
উত্তর ৭০: পারমাণবিক কণিকা বা subatomic particle।
প্রশ্ন ৭১: ইলেকট্রন ক্লাউডের আকার কেমন?
উত্তর ৭১: অসম্পূর্ণ এবং আকার পরিবর্তনশীল সম্ভাব্য এলাকার মতো।
প্রশ্ন ৭২: কোন মডেল ইলেকট্রনের তরঙ্গ-কণার দ্বৈত প্রকৃতি ব্যাখ্যা করে?
উত্তর ৭২: ডেব্রোগলি মডেল।
প্রশ্ন ৭৩: ইলেকট্রন শেলের শক্তি স্তরের সংখ্যা কি নির্দিষ্ট?
উত্তর ৭৩: হ্যাঁ, নির্দিষ্ট শক্তি স্তর রয়েছে।
প্রশ্ন ৭৪: কোন কণাটি পরমাণুর স্থিতিশীলতা নির্ধারণে প্রধান ভূমিকা রাখে?
উত্তর ৭৪: নিউট্রন।
প্রশ্ন ৭৫: পরমাণুর মৌলিক চার্জ কী?
উত্তর ৭৫: ইলেকট্রনের চার্জের মান, ১.৬০২ × 10⁻¹⁹ কুলম্ব।
প্রশ্ন ৭৬: নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ কত ধরনের একক দিয়ে মাপা হয়?
উত্তর ৭৬: ফেমটোমিটার (fm)।
প্রশ্ন ৭৭: কোন মডেলটি প্রথমে পরমাণুর কেন্দ্রীয় নিউক্লিয়াস ধারণা দেয়?
উত্তর ৭৭: রাদারফোর্ড মডেল।
প্রশ্ন ৭৮: প্রোটন ও নিউট্রন একসাথে কী গঠন করে?
উত্তর ৭৮: নিউক্লিয়াস।
প্রশ্ন ৭৯: পরমাণুর ভরের একক কী?
উত্তর ৭৯: amu (atomic mass unit)।
প্রশ্ন ৮০: ইলেকট্রন কত দ্রুত নড়াচড়া করে?
উত্তর ৮০: আলোকগত গতির তুলনায় ধীরে, কিন্তু নিউক্লিয়াসের চারপাশে অত্যন্ত দ্রুত অস্থিরভাবে।
প্রশ্ন ৮১: পরমাণুর স্থিতিশীলতা নির্ভর করে মূলত কোন অনুপাতের ওপর?
উত্তর ৮১: প্রোটন ও নিউট্রনের অনুপাতের ওপর।
প্রশ্ন ৮২: কোন মডেল ইলেকট্রনকে নির্দিষ্ট শক্তি স্তরে বৃত্তাকার কক্ষপথে দেখায়?
উত্তর ৮২: বোর মডেল।
প্রশ্ন ৮৩: ভ্যালেন্স ইলেকট্রন কবে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ নেয়?
উত্তর ৮৩: যখন পরমাণু আয়ন বা বন্ধন গঠনের জন্য ইলেকট্রন বিনিময় করে।
প্রশ্ন ৮৪: আইসোটোপগুলো কিভাবে রাসায়নিকভাবে ভিন্ন?
উত্তর ৮৪: তারা রাসায়নিকভাবে প্রায় একই, কারণ প্রোটনের সংখ্যা একই।
প্রশ্ন ৮৫: কোন কণাটি পরমাণুর বৈদ্যুতিক চৌম্বকীয় প্রভাবের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?
উত্তর ৮৫: ইলেকট্রন।
প্রশ্ন ৮৬: পরমাণুর ভর কত ভাগে বিভক্ত?
উত্তর ৮৬: প্রায় সব ভর নিউক্লিয়াসে, ইলেকট্রন প্রায় ক্ষুদ্রতম অংশ।
প্রশ্ন ৮৭: নিউট্রন আবিষ্কারক কে?
উত্তর ৮৭: জেমস চ্যাডউইক।
প্রশ্ন ৮৮: প্রোটনের চার্জ ধনাত্মক কেন?
উত্তর ৮৮: এটি প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য এবং ইলেকট্রনের ঋণাত্মক চার্জের বিপরীত।
প্রশ্ন ৮৯: পরমাণুর ব্যাসার্ধ কত প্রায়?
উত্তর ৮৯: প্রায় ১০⁻¹⁰ মিটার (অ্যাঙ্গস্ট্রোম মাত্রা)।
প্রশ্ন ৯০: কোন অংশটি পরমাণুর রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য মূলত নির্ধারণ করে?
উত্তর ৯০: ভ্যালেন্স ইলেকট্রন।
প্রশ্ন ৯১: ইলেকট্রন শেল ও শক্তি স্তরের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর ৯১: শেল হলো কক্ষপথ বা অঞ্চল যেখানে ইলেকট্রন থাকে, শক্তি স্তর হলো সেই শেলের নির্দিষ্ট শক্তি।
প্রশ্ন ৯২: কোন মডেল ইলেকট্রনকে কণার মতো দেখায়?
উত্তর ৯২: প্লাম পুডিং মডেল।
প্রশ্ন ৯৩: রাদারফোর্ড মডেল কী প্রস্তাব করে?
উত্তর ৯৩: যে পরমাণুর কেন্দ্রে একটি ধনাত্মক নিউক্লিয়াস রয়েছে এবং ইলেকট্রন তার চারপাশে ঘুরছে।
প্রশ্ন ৯৪: ডেব্রোগলি মডেল কোন বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করে?
উত্তর ৯৪: ইলেকট্রনের তরঙ্গ-কণার দ্বৈত প্রকৃতি।
প্রশ্ন ৯৫: পরমাণুর কোন অংশকে ক্ষুদ্রতম বলা হয়?
উত্তর ৯৫: ইলেকট্রন।
প্রশ্ন ৯৬: মৌলিক পারমাণবিক কণাগুলোর মধ্যে কোনটি নিরপেক্ষ?
উত্তর ৯৬: নিউট্রন।
প্রশ্ন ৯৭: একটি পরমাণুর আয়ন ধনাত্মক হলে ইলেকট্রনের সংখ্যা প্রোটনের চেয়ে কেমন?
উত্তর ৯৭: কম।
প্রশ্ন ৯৮: একটি পরমাণুর আয়ন ঋণাত্মক হলে ইলেকট্রনের সংখ্যা প্রোটনের চেয়ে কেমন?
উত্তর ৯৮: বেশি।
প্রশ্ন ৯৯: ভ্যালেন্স ইলেকট্রন কাকে নির্দেশ করে?
উত্তর ৯৯: পরমাণুর সর্বোচ্চ শক্তি স্তরে থাকা ইলেকট্রন।
প্রশ্ন ১০০: নিউক্লিয়াসকে শক্তিশালী রাখে কোন শক্তি?
উত্তর ১০০: নিউক্লিয়ার শক্তি বা শক্তিশালী পারমাণবিক বল।
উপসংহার
পরমাণুর গঠন এবং তার অভ্যন্তরীণ কণাগুলোর আচরণ বোঝা শিক্ষার্থীদের পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের মৌলিক ধারণা অর্জনে সাহায্য করে। প্রোটন, নিউট্রন ও ইলেকট্রনের পারস্পরিক সম্পর্ক, ইলেকট্রন শেল, ভ্যালেন্স ইলেকট্রন, আয়ন এবং আইসোটোপ সম্পর্কে জ্ঞান আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বৈদ্যুতিক, চৌম্বকীয় ও রাসায়নিক প্রক্রিয়াকে বোঝার সুযোগ দেয়। এই ১০০টি সাধারণ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষণ উপকরণ হিসেবে কাজ করবে, যা তাদের শিক্ষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পরীক্ষায় প্রস্তুতিতে সহায়ক হবে।